লন্ডন: খেলার জগতে একটা কথা খুবই প্রচলিত— চ্যাম্পিয়ন্স লাক। মিলান থেকে লন্ডনের বিমানে ওঠার সময় সেটা সঙ্গে নিয়েই এসেছিলেন জানিক সিনার। তা না হলে রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকেই বিদায় নিতে হতো ইতালিয়ান তারকাকে। গ্রিগর দিমিত্রভের বিরুদ্ধে প্রথম দু’টি সেট হাতছাড়া করে পৌঁছে গিয়েছিলেন খাদের কিনারায়। কিন্তু তৃতীয় সেটে চোট পেয়ে কোর্ট ছাড়েন দুরন্ত ছন্দে থাকা গ্রিগর। লাইফ-লাইন পেয়ে যান সিনার। আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। পরের দু’ম্যাচে বেন শেলটন ও নোভাক জকোভিচকে হারিয়ে পৌঁছে যান ফাইনালে। রবিবার খেতাবি লড়াইয়ে কর্লোস আলকারাজকে হারিয়ে প্রথম ইতালিয়ন হিসেবে উইম্বলডন জেতেন সিনার।
ম্যাচ শেষে ইতালিয়ান যুবক বলেন, ‘সার্ভিসের সময় মনে পড়ছিল ফরাসি ওপেনের কথা। পরক্ষণে মনে হল, যা খারাপ হওয়ার সেবারই হয়ে গিয়েছে। তাই ভয় না পেয়ে নিজের উপর আস্থা রেখেই সাফল্য পেলাম।’ আলকারাজের বিরুদ্ধে শেষ পাঁচটি ফাইনালে হারতে হয়েছিল তাঁকে। রবিবার সেই রেকর্ড বদলে আবেগের জোয়ারে ভাসলেন তিনি। আয়োজকদের প্রথাগত নৈশভোজে মহিলাদের সিঙ্গলস চ্যাম্পিয়ন ইগা সুইয়াটেকের সঙ্গে তাল মেলালেন বল-ডান্সে।
আগামী কয়েকদিন বিশ্রাম। তারপর শুরু হবে ইউএস ওপেনের প্রস্তুতি। আগামী বছর ফরাসি ওপেন জিতে কেরিয়ার গ্র্যান্ড স্ল্যামও পূর্ণ করতে চান সিনার। জানিয়েও দিলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ইউএস ওপেনের পর উইম্বলডনেরও স্বাদ পেলাম। আগামী বছর ফরাসি ওপেন জিতে কেরিয়ার গ্র্যান্ড স্ল্যাম নিশ্চিত করতে পারলে, পূর্ণতা পাবে সাফল্যের ভাণ্ডার।’