Bartaman Logo
২৯ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এবার স্কুলশিক্ষায় প্রযুক্তির উপর জোর, অপ্রয়োজনীয় খরচেও রাশ

স্কুলশিক্ষায় গুরুত্ব বাড়ছে প্রযুক্তির। ২৫ এবং ২৬ মে ডিআইদের নিয়ে ভিডিও বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পাঠদান এবং নজরদারিতে ব্যবহার বাড়াতে হবে প্রযুক্তির। জিআইএস প্রযুক্তি সম্বলিত অ্যাপ দিয়ে সঠিক রিপোর্ট পাঠাতে হবে দপ্তরে।

এবার স্কুলশিক্ষায় প্রযুক্তির উপর জোর, অপ্রয়োজনীয় খরচেও রাশ
  • ২৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্কুলশিক্ষায় গুরুত্ব বাড়ছে প্রযুক্তির। ২৫ এবং ২৬ মে ডিআইদের নিয়ে ভিডিও বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পাঠদান এবং নজরদারিতে ব্যবহার বাড়াতে হবে প্রযুক্তির। জিআইএস প্রযুক্তি সম্বলিত অ্যাপ দিয়ে সঠিক রিপোর্ট পাঠাতে হবে দপ্তরে। এর পাশাপাশি সশরীরে পরিদর্শনও বাড়াতে হবে। মিড ডে মিল বা অন্যান্য প্রকল্প থেকে পড়ুয়ারা যাতে বঞ্চিত না হয়, তাও দেখতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে নির্দেশ, ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে দেশাত্মবোধ জাগাতে প্রার্থনার সময় ‘বন্দেমাতরম’ পুরোটাই গাইতে হবে।

Advertisement

এর পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে, শূন্যপদ নির্ণয়ের। এর জন্য ১০০ পয়েন্ট রোস্টার তৈরি, কমপ্যাশনেট গ্রাউন্ডে চাকরি, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি এবং আধার লিঙ্কের সমস্যা নিয়েও হয়েছে আলোচনা। একইসঙ্গে এর পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে ব্যয় সংকোচে। বাড়তি এবং অপ্রয়োজনীয় খরচে রাশ টানার নির্দেশ দিয়েছে দপ্তর। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক থেকে পিএমশ্রী প্রকল্পে আবেদনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে রাজ্যের শিক্ষাদপ্তরকে। ২৭ মে থেকে আবেদন শুরু হয়েছে। ৮ জুন পর্যন্ত স্কুলগুলি আবেদন জানাতে পারবে। ১৪ জুনের মধ্যে জেলাগুলির তরফে ভেরিফাই করে তা পাঠাতে হবে। আর রাজ্যগুলি থেকে তা ছাড়তে হবে ২০ জুনের মধ্যে। এই প্রকল্পে কেন্দ্র এবং রাজ্যের যৌথ অনুদানে মডেল স্কুল গড়ে তোলা হবে। তাতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলো, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজ এবং অন্যান্য আধুনিক ব্যবস্থা থাকবে। রাজ্যে এই প্রকল্প চালু হলে সমগ্র শিক্ষা অভিযানের বকেয়া কয়েক হাজার কোটি টাকা পেতে শুরু করবে রাজ্য। ফলে স্কুলশিক্ষায় ভাঁড়ে মা ভবানী দশা কিছুটা কাটবে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের।
এর পাশাপাশি রাজ্য সরকার প্রাথমিক স্কুল এবং শিশুশিক্ষা কেন্দ্রগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে, ফাউন্ডেশনাল লার্নিং স্টাডির (এফএলএস ২০২৫-’২৬) জন্য চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরি করতে হবে। এর জন্য এনসিইআরটির গাইডলাইন অনুযায়ী এসসিইআরটির তৈরি বাংলা ও ইংরেজি সহ চারটি ভাষার মডেল প্রশ্নপত্রের সেট দিয়ে অনুশীলন করাতে হবে পড়ুয়াদের। এর মধ্যে অবশ্য শিক্ষকরা অন্য প্রশ্ন তুলছেন। এসআইআর এবং ভোটের পড়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম পূরণেও বিএলওদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিএলওদের অধিকাংশই শিক্ষক। তাই তাঁদের ব্যবহার করা হলে শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই অবস্থায় সরকারকে চিঠি দিয়ে আপত্তি জানিয়েছে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী বিএলও ডিউটি প্রতিরোধ মঞ্চ, এসটিইএ, শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের মতো সংগঠনগুলি।

সম্পর্কিত সংবাদ