নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: নামে স্মার্টসিটি। কিন্তু, রাস্তায় সেই স্মার্টনেস উধাও! রাস্তার ধারে পাঁচতারা হোটলে। অথচ, তার উলটো দিকের সার্ভিস রোডে বড়ো বড়ো গর্ত! রাস্তা ভেঙেচুরে একাকার। আবার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারের কিছুটা আগে স্ট্রিট নম্বর ৩৩৩ রাস্তার বেহাল দশা। রাস্তার একটা অংশ সরু খালের মতো হয়ে গিয়েছে! খানাখন্দের রাস্তার জেরে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সকলেই। নিউটাউনের রাস্তায় প্রচুর দামি গাড়ি যাতায়াত করে। কিন্তু, যেসব গাড়ির গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স কম, সেইসব গাড়ি ওই রাস্তা দিয়ে পার হতে সমস্যায় ভুগছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে সংস্কারের উদ্যোগ নিক প্রশাসন।
নিউটাউনের উপর দিয়ে যে বিশ্ববাংলা সরণি গিয়েছে, তা ঝাঁ চকচকে। কিন্তু, তার পাশের রাস্তাগুলিরই খারাপ দশা। বিশ্ববাংলা গেটের দিক থেকে ইকোপার্কের দিকে গেলেই রাস্তার ধারে অর্গানিক হাট। সেখান থেকে কিছুটা এগোলেই সার্ভিস রোডের বেহাল অবস্থা। রাস্তায় বড়ো বড়ো গর্ত। অথচ, ওই রাস্তা দিয়ে বহু গাড়ি প্রতিদিন যাতায়াত করে। তার উলটো দিকেই রয়েছে একটি পাঁচতারা হোটেল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সার্ভিস রোডে বড়ো বড়ো গাড়ি চলছে। অথচ, রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেই। সামনে বর্ষা সামনে। তার আগে এই রোড মেরামত না-হলে পারাপারই করা মুশকিল হয়ে যাবে।
যাত্রাগাছি ফ্লাইওভারের কিছুটা সামনে রয়েছে নিউটাউনের স্ট্রিট নম্বর ৩৩৩। ওই রাস্তা ধরে বিশ্ববাংলা সরণিতে ওঠার মুখের রাস্তা শোচনীয়। রাস্তার উপরে বিটুমিনাসের স্তর সম্পূর্ণ উঠে গিয়েছে। ‘দাঁত’ বের করে রয়েছে স্টোন চিপস। রাস্তার একদিক আস্ত খালের মতো আকার নিয়েছে। অল্প বৃষ্টি হলেই সেখানে জল জমে জলাশয়ের রূপ নিচ্ছে। রূপম ঘোষ নামে এক পথচারী বলেন, নিউটাউনকে স্মার্টসিটি বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এটা তার নমুনা? প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, নিউটাউনে কিছু রাস্তার দায়িত্বে হিডকো, কিছু রাস্তার দায়িত্বে রয়েছে এনকেডিএ। যেখানে বেহাল অবস্থা, সেই জায়গাগুলি খতিয়ে দেখা হবে। তারপর সংস্কারের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। -নিজস্ব চিত্র