Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এবার ‘বাংলার বাড়ি’ ৩৩ হাজার মহিলাকে

মহিলাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বদ্ধপরিকর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। একসপ্তাহ আগেই অন্তর্বর্তী বাজেটে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’ আর্থিক সহায়তা ৫০০ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে রাজ্য।

এবার ‘বাংলার বাড়ি’ ৩৩ হাজার মহিলাকে
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

প্রীতেশ বসু, কলকাতা: মহিলাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বদ্ধপরিকর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। একসপ্তাহ আগেই অন্তর্বর্তী বাজেটে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’ আর্থিক সহায়তা ৫০০ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে রাজ্য। ইতিমধ্যেই সেই ঘোষণা কার্যকর হয়ে গিয়েছে। এবার নেওয়া হল আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শীঘ্রই বাংলার ৩৩ হাজার গরিব মহিলাকে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের অধীনে মাথার উপর পাকা ছাদের বন্দোবস্ত করে দিতে চলেছে নবান্ন। দুই কিস্তিতে দেওয়া হবে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ইতিমধ্যেই উপভোক্তা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তা শেষ হলেই ওই মহিলাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বাড়ি তৈরির জন্য প্রথম কিস্তির টাকা পাঠানো হবে। কম-বেশি প্রতিটি জেলাতেই নতুন উপভোক্তারা ছড়িয়ে রয়েছেন। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই নাম নথিভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সহায়তা প্রদানের চেষ্টা চলছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মূলত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিধবা কিংবা স্বামী ছেড়ে চলে গিয়েছেন এমন মহিলাদের এই বাড়ি দেওয়া হবে। এব্যাপারে তাঁদের সহায়তা প্রদানের জন্য ‘ডেস্টিটিউট মাইনরিটি উইমেন রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম’ নামে একটি প্রকল্প রয়েছে। সেটি রূপায়ণের দায়িত্ব মূলত সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরের। তবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি তৈরির যে সমস্ত আবেদন এসেছে, সেগুলি পঞ্চায়েত দপ্তরের মাধ্যমেই বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। আবাস যোজনায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার জবাবে সম্পূর্ণ রাজ্যের খরচেই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প হাতে নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তাতে মূল দায়িত্ব পঞ্চায়েত দপ্তরের কাঁধে। সেই কারণেই অন্যান্য প্রকল্পের বাড়ি তৈরির অনুদানও এই দপ্তরের মাধ্যমে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বলে দাবি অভিজ্ঞ আমলাদের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ