সন্দীপ নন্দী: যুবভারতীর ট্র্যাকে সারি সারি চেয়ারের কঙ্কাল। ইতস্তত ছড়িয়ে কয়েক হাজার জলের বোতল। ইটের টুকরো, মাইকের স্ট্যান্ড, এমনকী রড। শূন্য গোলপোস্টে জাল নেই। কারা যেন টুকরো করে তা ছিঁড়ে নিয়েছে। কার্পেটের মতো সবুজ মাঠে অসংখ্য ক্ষত। সোশ্যাল সাইটে এমন ছবি দেখে চোখে জল আসছিল। প্রাণের যুবভারতী বহু ইতিহাসের সাক্ষী। তীব্র জনরোষে সেই গর্বের স্টেডিয়াম আজ তছনছ। মেসিকে দেখতে না পাওয়ার ক্ষোভে স্টেডিয়ামে ভাঙচুর চালিয়েছেন হাজার হাজার দর্শক। লজ্জায় মুখ ঢাকল ফুটবলের মক্কা! ক্ষতবিক্ষত হৃদয়। প্রাক্তন ফুটবলার হিসাবে দাবি জানাই, এই প্রহসন বন্ধ হোক। ফুটবল মাফিয়ার হাত থেকে অন্তত মাঠকে বাঁচান। না হলে বারবার মুখ পুড়বে। টু’পাইস কামানোর জন্য প্রমোশনাল ট্যুরের আয়োজন করে ফুটবল মাফিয়ারা। তাতে মানবিক রং লাগাতে খুদে ফুটবলারদের নিয়ে গালভরা ক্লিনিকের আয়োজন থাকে। যুবভারতীতে মেসির অনুষ্ঠানে স্লট বরাদ্দ ছিল খুদেদের জন্য। ফুটবলের বরপুত্রকে দেখার অপেক্ষায় তাদের তর সইছিল না। অথচ মোক্ষম সময়ে সব চৌপাট। হাউহাউ কান্না, একরাশ বেদনা নিয়ে মাঠ ছেড়েছে কচি মুখের দল। কাঁধ থেকে দায় ঝাড়লে চলবে কেন?



