Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘এটাই আমার ব্যোমকেশ করার উপযুক্ত বয়স’

প্রায় এক যুগ পরে আবারও ব্যোমকেশ চরিত্রে ফিরছেন। ব্যোমকেশকে কতটা আত্মস্থ করতে পারলেন? গৌরব: প্রায় বারো বছর পর আমি আবারও ব্যোমকেশ চরিত্রে অভিনয় করছি

‘এটাই আমার ব্যোমকেশ করার উপযুক্ত বয়স’
  • ১ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

 বেলগাছিয়া রাজবাড়িতে তখন সাজো সাজো রব। সময়কালও যেন বেশ কিছুটা পিছিয়ে গিয়েছে। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ-এর দেখা মিলল সেখানে। অরিত্র সেনের পরিচালনায় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আড্ডা টাইমসের ব্যোমকেশ গৌরব চক্রবর্তী। আলাপচারিতায় অকপট অভিনেতা।

Advertisement

• প্রায় এক যুগ পরে আবারও ব্যোমকেশ চরিত্রে ফিরছেন। ব্যোমকেশকে কতটা আত্মস্থ করতে পারলেন?
গৌরব: প্রায় বারো বছর পর আমি আবারও ব্যোমকেশ চরিত্রে অভিনয় করছি। তিনটি মাধ্যমেই ব্যোমকেশ করা হয়ে গেল। প্রথম ২০১৪ সালে টেলিভিশনে প্রথমবার ব্যোমকেশ হয়েছিলাম। অডিও মাধ্যমে ব্যোমকেশ করেছি। এবার ওটিটিতে ব্যোমকেশ হিসেবে আমার পথচলা শুরু হল। আমার মনে হয় এখন আমার যা বয়স, এই বয়সই আমার ব্যোমকেশ করার জন্য উপযুক্ত।
• এবারের গল্প কী?
গৌরব: আমরা এবার কাজ করছি ‘সত্যান্বেষী’ এবং ‘অর্থমনর্থম্-এর উপর। 
• ব্যোমকেশ এবং অজিতের বন্ধুত্ব বিরল। বাস্তবে এরকম বন্ধুর দেখা পাওয়া যায়?
গৌরব: এখানে অজিতের ভূমিকায় রয়েছেন অর্ণ মুখোপাধ্যায়। বলা যেতে পারে, আমার প্রায় দাবি ছিল অজিত হিসেবে অর্ণকেই চাই। আমাদের খুব ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। ব্যোমকেশ ও অজিতের মতো বন্ধুত্বের দেখা পাওয়া সম্ভব। আমার স্কুল জীবনের বেশ কিছু বন্ধু রয়েছে, যাদের জীবনে পেয়ে আমি ভাগ্যবান।
• আপনি এবং আপনার স্ত্রী ঋদ্ধিমা দু’জনেই ব্যোমকেশ এবং সত্যবতীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। 
‘ব্যোমকেশ’ আপনাদের কাছে কতটা স্পেশাল?
গৌরব: ঋদ্ধিমা কিন্তু প্রথমে আমার সত্যবতী (হাসি)। টেলিভিশনে যখন আমি প্রথমবার ব্যোমকেশ করেছিলাম ঋদ্ধিমাই ছিল আমার সত্যবতী। এরপর ও অন্য প্ল্যাটফর্মে সত্যবতীর চরিত্রে অভিনয় করেছে। এই প্রজেক্টে আমার সত্যবতী শ্রুতি। শ্রুতিও খুব ভালো কাজ করছে।
• ব্যোমকেশ চরিত্রে এর আগে অনেক খ্যাতনামা অভিনেতাদের দেখা গিয়েছে। পথচলা কঠিন মনে হয়নি?
গৌরব: ২০১৪ সালে প্রথমবার যখন ব্যোমকেশ চরিত্রে অভিনয় করি, তখন খুব চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছিল। টেনশন ছিল। কিন্তু, ধীরে ধীরে বিষয়টা সহজ হয়েছে। আমার পছন্দের ব্যোমকেশ রজিত কাপুর এবং আবির চট্টোপাধ্যায়। আমার ব্যোমকেশের মধ্যে রজিত কাপুর এবং আবিরদা দু’জনেরই ছায়া রয়েছে।
• আপনার পছন্দের গোয়েন্দা চরিত্র?
গৌরব: দিন কয়েক আগে একটি অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে আমি আর বাবা (সব্যসাচী চক্রবর্তী) উপস্থিত ছিলাম। বাবা ফেলুদা নিয়ে কথা বলেছেন এবং আমি ব্যোমকেশ নিয়ে। এ যে আমার কাছে কী পরম পাওয়া, তা আমি বলে বোঝাতে পারব না। বাংলায় আমার পছন্দের গোয়েন্দা চরিত্র অঞ্জন দত্ত সৃষ্ট রুদ্র সেন। নব্বই দশকের গোড়ার দিকে রুদ্র সেনের ডায়েরি সম্প্রচারিত হত। এই রুদ্র সেনের চরিত্রেও আমার বাবা অভিনয় করেছেন।
• বাবার সঙ্গে তুলনা হয়?
গৌরব: বাবার মতো হতে পারব না, সেটা সম্ভব নয়। আমি নিজের মতো হতে চাই। কিন্তু, বাবা আমার অনুপ্রেরণা। আমি এই ১৪-১৫ বছরে নিজের সামান্য নাম করতে পারলেও এখনও অনেকের কাছে ‘সব্যসাচীর ছেলে’। আর এটা আমার কাছে অত্যন্ত গর্বের। সব্যসাচী চক্রবর্তীর ছেলে হিসেবে আমি গর্বিত। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ