নয়াদিল্লি, ১২ নভেম্বর: ১০ নভেম্বর নয়, দিওয়ালিতেই দেশের রাজধানী দিল্লিতে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা ছিল! জেরায় এমনই চাঞ্চল্যকর কথা জানিয়েছে ধৃত চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিল। হরিয়ানার ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক মুজাম্মিলকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারাও। তাকে জেরায় উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তার ফোন থেকে যে সব তথ্য পাওয়া গিয়েছে তার ভিত্তিতেই জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ধৃত চিকিৎসক তথা সন্দেহভাজন জঙ্গি মুজাম্মিল জানিয়েছেন, আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি অর্থাৎ সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন দিল্লিতে হামলার পরিকল্পনা ছিল।
সেই কারণে উমরকে সঙ্গে নিয়ে লালকেল্লা ও আশেপাশের চত্বর রেকি করেছিল তারা। চলতি বছরের দিওয়ালিতেও জনবহুল এলাকায় বিস্ফোরণের টার্গেট ছিল তাদের। কিন্তু সেই প্ল্যান ভেস্তে যায়। তদন্তকারীরা জেনেছেন, মূলত দিল্লির জনবহুল এলাকাতেই টার্গেট ছিল ধৃত সন্দেহভাজন জঙ্গি মুজাম্মিলদের। কিন্তু সঠিক সময়ে হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের দ্বারা বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় ভেস্তে যায় তাদের প্ল্যান। সূত্রের খবর, ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২দিন ধরে পার্ক করে রাখাছিল বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়িটি। ইতিমধ্যেই ওই গাড়ির ডিলারকে হেফাজতে নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের তদন্তে এসপি পদমর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে একটি দল গঠন করেছে এনআইএ।