মুক্তির অপেক্ষায় অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। ছবি ও ইন্ডাস্ট্রি প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানালেন অভিনেতা।
মুক্তির অপেক্ষায় অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। ছবি ও ইন্ডাস্ট্রি প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানালেন অভিনেতা।
ছবি ফ্লপ হলে তেমন কিছুই করার থাকে না। কেন ফ্লপ হল সেটা খোঁজার চেষ্টা করি। তার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সেটা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি। সকলের জীবনে উত্থান-পতন আসে। সেটা মেনে নিয়েই এগিয়ে যাই।
• ভোজপুরী অভিনেতার চরিত্রে দেখা যাবে তো আপনাকে?
•• হ্যাঁ। চরিত্র নিয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না।
• ভাষাগত সমস্যা হয়নি?
•• একেবারেই না। তাই অভিনয় করতেও সমস্যা হয়নি।
• বহু তারকাকে দেখা যাবে এই ছবিতে। এ প্রজন্মের অভিনেতারা কিন্তু এই ধরনের সিনেমায় কাজ করতে নিরাপদ বোধ করছেন না। এ বিষয়ে আপনার কী মত?
•• ব্যাপারটা তা নয়। দেখুন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব মানসিকতা আছে। আমরা যদি একাই কাজ করি, তাতেও ঠিক আছে। আমরা যদি একাধিক তারকার ছবি করি, তাতেও ঠিক আছে। ছবি হিট হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট ফরমুলা নেই।
• অভিনেতা হিসাবে কোন ধরনের চরিত্র সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন?
•• আমি সব ধরনের চরিত্র করতেই পছন্দ করি। যখন ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলাম, তখন শুধু ‘অ্যাকশন’ ছবিই করতাম। তারপর ভিন্ন ধরনের চরিত্র এবং ভিন্ন ঘরানার ছবিতে কাজ করি। নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে থাকি।
• এই ছবির জন্য নাকি আপনি কোনো পারিশ্রমিক নেননি... সত্যি?
•• হ্যাঁ, একেবারেই সত্যি। আমার বিশ্বাস, কঠিন সময়ে প্রযোজক ও অভিনেতার একে অপরের পাশে দাঁড়ানো উচিত। তাই এই ছবির উপর পারিশ্রমিকের অতিরিক্ত চাপ দিতে চাইনি এবং এক টাকাও নিইনি। আমি শুধু একজন বিনিয়োগকারী হিসেবে ছবির সঙ্গে যুক্ত আছি। ৩২ জন অভিনয়শিল্পীকে নিয়ে ১১৫ কোটি টাকা বাজেটে ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২৪ জন অভিনেতা সেটে থাকতেন এবং ৭৫টি শিফটে শ্যুটিং শেষ হয়েছে। তাই এত বড়ো প্রযোজনায় বাজেট নিয়ন্ত্রণে রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
• আপনার কাছে সাফল্যের সংজ্ঞা কী?
•• এটা কোনো রকেট সায়েন্স নয়। আমরা এখানে কাজ করতে আসি, কাজ শেষ করি এবং চলে যাই। আমি এসব নিয়ে খুব বেশি ভাবি না।
• ছবি ফ্লপ হলে কী মনে হয়?
•• তেমন কিছু করার থাকে না। ছবিটি কেন ফ্লপ হল সেটা খোঁজার চেষ্টা করি। তারপর তার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সেটা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি। সকলের জীবনে উত্থান-পতন আসে। সেটা মেনে নিয়েই এগিয়ে যাই।
• বছরে এতগুলি ছবি করেন...
•• সদ্য ‘ভূত বাংলা’ মুক্তি পেয়েছে, আর এখন এই ছবিটিও শীঘ্রই মুক্তি পাবে। এর জন্য শক্তি প্রয়োজন। গত ৩৬ বছর ধরে আমি এভাবেই কাজ করছি। এটা আমার স্বভাবে মিশে গেছে।
• কমেডি কঠিন মনে হয় না?
•• কমেডি সবচেয়ে কঠিন বিষয়গুলির একটি। দুই ফোঁটা গ্লিসারিন বা কিছু আবেগঘন পরিস্থিতি তৈরি করে মানুষকে কাঁদানো সহজ। কিন্তু মানুষকে হাসাতে হলে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। আশা করি, আগামী দিনেও আমার কমেডি ছবিগুলোর মাধ্যমে দর্শকদের বিনোদন দিতে পারব।
• মানসিক এবং শারীরিকভাবে নিজেকে ফিট রাখেন কীভাবে?
•• শারীরিকভাবে ফিট থাকতে নিয়মিত ব্যায়াম করি। আর মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে খুব সাধারণ জীবনযাপন করি।
• ‘খিলাড়ি’ ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন ছবিতে আপনাকে কবে দেখা যাবে?
•• ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় রয়েছি। শেষ ‘খিলাড়ি’ হবে ওটা। নামও ভেবে ফেলেছি, ‘আখরি খিলাড়ি’। মনের মতো চিত্রনাট্য পেলেই করব।
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই