নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দেশে কত কৃষক আত্মহত্যা করেছেন? গত তিন বছর তার কোনও হিসেব সরকারের কাছে নেই। মঙ্গলবার লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব)র এক প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানালেন কৃষি রাষ্ট্রমন্ত্রী রামনাথ ঠাকুর। জানিয়ে দিলেন, আলাদা করে কৃষক আত্মহত্যার কোনও তথ্য সরকার নথিভুক্ত করে না। সার্বিক আত্মহত্যা বলেই ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তালিকায় নথিভুক্ত থাকে। যদিও ২০২২ সালের পর তা করা হয়নি। কৃষক আত্মহত্যার কথা সরাসরি স্বীকারও করেনি কেন্দ্র। কৃষকের উপার্জন বাড়াতে সরকার ২৮ রকমের প্রকল্পের খতিয়ানও দিয়েছেন মন্ত্রী।
অন্যদিকে, এদিন রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী জানিয়েছেন, গত এক দশকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি ১২ লক্ষ ৮ হাজার ৮২৮ কোটি টাকার ঋণ রাইট অফ করেছে। এর মানে ওই নয় যে, এক্ষেত্রে ঋণগ্রহণকারীরা দায়মুক্ত হচ্ছে। ওই ঋণ আদায়ের সমস্ত চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সাগরিকা ঘোষ কর্পোরেটদের মধ্যে কতজন দেউলিয়া (উইলফুল ডিফল্টার)কে সরকার ঋণ মকুব করেছে, তা জানতে চান। জবাবে মন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ১ হাজার ৬২৯ জন ঋণগ্রহণকারীর ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা ঋণ অনাদায়ী বলেই দেখা গিয়েছে। তাদেরই ঋণখেলাপি বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। পিএমএল আইনে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে ন’জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ২৫ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা সম্পত্তিও। তৃণমূলের সাকেত গোখল কেন্দ্রের কাছে জানতে চান, দেশের ৭৯ লক্ষ গরিব কি বিনামূল্যের রেশন থেকে বঞ্চিত? জবাবে খাদ্যমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিমুবেন লিখিতভাবে জবাবে বলেছেন, খাদ্য সুরক্ষা আইন মোতাবেক গোটা দেশে ৮১ কোটি ৩৫ লক্ষ মানুষের রেশন পাওয়ার কথা। তবে এখনও পর্যন্ত চিহ্নিত ৮০ কোটি ৫৬ লক্ষ। ফলে আরও ৭৯ লক্ষ মানুষকে রেশন দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। যদি ওই অংশের গ্রাহকদের চিহ্নিত করার দায়িত্ব রাজ্যের। ফাইল চিত্র