Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

১৩১ বছরের কয়লা উত্তোলনের ম্যাপ নেই, দাবি ইসিএলের

১৩১ বছরের কয়লা উত্তোলনের কোনও ম্যাপ নেই ইসিএলের কাছে। অণ্ডাল থানার হরিশপুরে ধস কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন ইসিএলের সিএমডি সতীশ ঝাঁ।

১৩১ বছরের কয়লা উত্তোলনের ম্যাপ নেই, দাবি ইসিএলের
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ১৩১ বছরের কয়লা উত্তোলনের কোনও ম্যাপ নেই ইসিএলের কাছে। অণ্ডাল থানার হরিশপুরে ধস কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন ইসিএলের সিএমডি সতীশ ঝাঁ। রবিবার তিনি এলাকা পরিদর্শন করে বলেন, ১৭৭৪ সাল থেকে রানিগঞ্জ কয়লা খনি এলাকায় কয়লা উত্তোলন হচ্ছে। ১৯০৫ সাল থেকে কয়লা উত্তোলনের বিভিন্ন পরিকল্পনা ম্যাপ পাওয়া যায়। তার আগে কী হয়েছিল জানা নেই। তিনি আরও বলেন, যদি ধরে নিই সেই সময়ে পরিকল্পনা করে পিলার রেখে কয়লা কাটা হয়েছিল। তাহলে পিলারগুলিরও একটি আয়ু থাকে। ২০০ বছরের পুরনো পিলারগুলিকে ভরসা করা যায় না। রানিগঞ্জ কয়লা খনি এলাকা নিয়ে এভাবেই একের পর এক উদ্বেগের কথা শোনা যায় ইসিএলের শীর্ষ কর্তার কাছ থেকে। ১৭৭৪ থেকে ১৯০৫ এর আগে পর্যন্ত কোন কোন এলাকার নীচে খনি ছিল বা কয়লা তোলা হয়েছে তা জানা নেই ইসিএলের। ফলে, হরিশপুরের মতো অন্য এলাকাতেও ধস নামতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। প্রসঙ্গত, ২০২০ করোনাকালে হরিশপুর গ্রামে ভয়ঙ্কর ধস নামে। রাতারাতি বাড়ি ঘর ধসে গিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত রূপ নেয় এলাকা। সেইসময় থেকেই উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিতে আন্দোলন চলছে। কয়েকদিন আগে গ্রামবাসীরা ইসিএলের সাঁকতোড়িয়া হেড অফিসে গিয়ে সিএমডির সঙ্গে দেখা করেন। শুক্রবার এলাকার বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়ও সিএমডির সঙ্গে দেখা করে হরিশপুরের পুনর্বাসন নিয়ে সরব হন। তারপরই রবিবার এলাকা পরিদর্শনে এলেন ইসিএলের কর্তা। এলাকাবাসীকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিলেও পুনর্বাসন নিয়ে সুনির্দিষ্ট দিশা দেখাতে পারেননি তিনি। বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রানিগঞ্জ কয়লা খনি পুনবার্সন প্রকল্পে হরিশপুরের সম্পূর্ণ অংশ নেই। অথচ ধসে ক্ষতিগ্রস্ত সবাই। এবার ওই প্রকল্প অনুযায়ী পুনর্বাসন দেওয়া হলে অনেকে বঞ্চিত হবে। আমরা প্রস্তাব দিয়েছি এলাকায় একটি ইসিএলের ওসিপি রয়েছে। সেটিকেই সম্প্রসারণ করুক ইসিএল। এতে বাসিন্দাদের জমি অধিগ্রহণ হলে তাঁরা পুনর্বাসন পাবে। ধসে চাপা পড়ার উদ্বেগও কমবে। এনিয়ে ইসিএলের সিএমডি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ