Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খানাখন্দে ভরা রাস্তায় নেই আলো, দ্রুত সারানোর দাবি

কোথাও রাস্তার পিচের আস্তরণ উঠে গিয়ে ইট দেখা যাচ্ছে, আবার কোথাও বড় বড় গর্ত হয়ে গিয়েছে। আর এই বেহাল রাস্তা দিয়েই রোজ সাধারণ মানুষ থেকে স্কুলের ছেলেমেয়েদের যাতায়াত করতে হচ্ছে।

খানাখন্দে ভরা রাস্তায় নেই আলো, দ্রুত সারানোর দাবি
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: কোথাও রাস্তার পিচের আস্তরণ উঠে গিয়ে ইট দেখা যাচ্ছে, আবার কোথাও বড় বড় গর্ত হয়ে গিয়েছে। আর এই বেহাল রাস্তা দিয়েই রোজ সাধারণ মানুষ থেকে স্কুলের ছেলেমেয়েদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। এটাই এখন উলুবেড়িয়া ২ ব্লকের রঘুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেঠো পোল থেকে বেলকুলাই পর্যন্ত যাওয়া দামোদর দাস রোডের অবস্থা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তা দিয়ে রোজ নিত্য প্রয়োজনে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করে। এমনকী কয়েকটি স্কুলের পড়ুয়াদেরও ভরসা এই রাস্তা। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে দুর্গাপুজোর আগে রাস্তার ভাঙা অংশগুলিতে কোনওরকমে তাপ্পি দেওয়া হয়েছিল। ফলে কয়েকদিনের মধ্যে ফের আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে রাস্তাটি। এদিকে এই এলাকার জগদ্ধাত্রী পুজো বিখ্যাত। তাই জগদ্ধাত্রী পুজোর সময় এমন বেহাল রাস্তার জন্য প্রতিমা দেখতে আসা দর্শনার্থীদেরও সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। শুধু রাস্তা নয়, রাস্তার আলো নিয়েও গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁদের অভিযোগ, রাস্তাটির অনেক আলোই খারাপ। তাই রাতে এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে সমস্যায় পড়তে হয় সবাইকে।

Advertisement

দামোদর দাস রোডের এমন বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন রঘুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ত বিভাগের সঞ্চালক জুবের আলম। যদিও তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের কথা ভেবে মাঝেমধ্যেই রাস্তা মেরামত করা হয়। দুর্গাপুজোর আগে, এমনকী জগদ্ধাত্রী পুজোর আগেও করা হয়েছিল। যদিও অতিবৃষ্টির কারণে রাস্তা আবার বেহাল হয়েছে। তিনি আরও জানান, অতীতে  রাস্তাটি একবার ঢালাই করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে কিছু বাসিন্দার আপত্তিতে সেটা করা সম্ভব হয়নি। তাই ফের পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে রাস্তাটি ঢালাই করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রাস্তাটির আলো প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মাঝেমধ্যে আলো খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এই আলো সারাতে গত এক বছরে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ১২ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছে। তবুও সাধারণ মানুষের স্বার্থে খারাপ আলো যত দ্রুত সম্ভব সারানো হবে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ