Bartaman Logo
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কেন্দুপাতার বান্ডিলের দাম ১০০ টাকার বেশি করার পরিকল্পনা রয়েছে: মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু

কেন্দুপাতা সংগ্রহ করে জঙ্গলমহলের বহু মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে। জীবন বাজি রেখে পাতা সংগ্রহ করলেও তার বিনিময়ে যে টাকা পাওয়া যায়, তা খুবই সামান্য।

কেন্দুপাতার বান্ডিলের দাম ১০০ টাকার বেশি করার পরিকল্পনা রয়েছে: মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু
  • ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: কেন্দুপাতা সংগ্রহ করে জঙ্গলমহলের বহু মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে। জীবন বাজি রেখে পাতা সংগ্রহ করলেও তার বিনিময়ে যে টাকা পাওয়া যায়, তা খুবই সামান্য। সেই ব্যবস্থার বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। আগামী দিনে কেন্দুপাতার চাটাই(বান্ডিল) প্রতি দাম প্রায় দ্বিগুণ করার চিন্তা-ভাবনা করেছে রাজ্য সরকার। খুব তাড়াতাড়ি এর সুবিধা পাবেন আদিবাসীরা। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া শহরে এসে এমনটাই জানালেন রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। সেই সঙ্গে তিনি জানান, নভেম্বর মাসের মধ্যেই ল্যাম্পসগুলির নির্বাচন করে নতুন বোর্ড গঠন করা হবে। 

Advertisement

বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া শহরে আঞ্চলিক আদিবাসী কার্যালয়ে দপ্তরের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী। তিনি দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত, মানবাজারের বিধায়ক ময়না মুর্মু, জেলাশাসক সুধীর কোন্থাম প্রমুখ। বৈঠক শেষে মন্ত্রী ক্ষুদিরামবাবু বলেন, আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে এদিন ৫৫জনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ৪৭জনকে এক লক্ষ করে টাকা, তিনজনকে ৫৩ হাজার এবং বাকি পাঁচজনকে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে কেন্দুপাতার চাটাই প্রতি যে ৬৮ টাকা দাম রয়েছে, তা বাড়িয়ে ১২০ টাকা করার চিন্তা ভাবনা শুরু করা হয়েছে। বৈঠকে আদিবাসীদের উন্নয়ন কীভাবে করা যায়, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। 
মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ২০২৩ সাল থেকেই ল্যাম্পসগুলি অকেজো হয়ে বন্ধ হয়ে রয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে ল্যাম্পসগুলিতে নতুন করে নির্বাচন হবে। সেই সঙ্গে গঠিত হবে নতুন বোর্ড। তারপরই ল্যাম্পসগুলি সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারবে। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন কেন্দুপাতা সংগ্রহকারীদের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে প্রায় ৫১লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। জেলা বিভিন্ন প্রান্তের ২৩টি ল্যাম্পস থেকে কেন্দুপাতা সংগ্রহের কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে শুধুমাত্র কেন্দুপাতা সংগ্রহের উপর নির্ভর করে না থেকে প্রত্যন্ত এলাকার আদিবাসীদের জন্য বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা হয়। পুরুলিয়ার এমপি প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে আদিবাসীদের বিকল্প রোজগারের ব্যবস্থা করার কথা আধিকারিকদের জানান। নির্দিষ্ট প্রস্তাব জমা হলে সেই বিষয়ে দপ্তর অবশ্যই উদ্যোগী হবে বলে মন্ত্রী বৈঠকে জানিয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ