Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

নেই পর্যাপ্ত‌‌ র‌্যাফ, ভাঙা চেয়ারই পুলিশের ‘ঢাল’

ঘড়ির কাঁটায় তখন ১১ টা ৫২ মিনিট। চরম অব্যবস্থা বেজায় চটে আর্জেন্তাইন মহাতারকা। মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মেসি।

নেই পর্যাপ্ত‌‌ র‌্যাফ, ভাঙা চেয়ারই পুলিশের ‘ঢাল’
  • ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও বিধাননগর: ঘড়ির কাঁটায় তখন ১১ টা ৫২ মিনিট। চরম অব্যবস্থা বেজায় চটে আর্জেন্তাইন মহাতারকা। মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মেসি। গাড়ির দিকে পা বাড়াতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে গোটা যুবভারতী। গ্যালারি থেকেই উড়তে শুরু করে জলের বোতল। দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে ক্ষোভ। রেলিং টপকে মাঠে ঢুকে পড়েন হতাশ, উন্মত্ত জনতা। কেউ আগুন ধরিয়ে দিলেন ভিআইপি সোফায়, কেউ আবার ছিঁড়লেন গোলপোস্টের জাল। তাণ্ডব চালানো দর্শককে সামলাতে তখন দিশাহারা পুলিশ। ঊর্ধ্বতন কর্তাদের নির্দেশে মৃদু লাঠিচার্জ শুরু করে উর্দিধারীরা। কিন্তু, আপৎকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে কোথায় পর্যাপ্ত লোকবল? কোথায় তাঁদের সেফটি-গিয়ার? প্রায় ৫৫ হাজার দর্শককে সামলাতে মাত্র ২৫০ জন র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স।

Advertisement

তাও নেই মাথার হেলমেট, ইট-বোতল প্রতিহত করার ঢাল। তাই নিয়েই নিধিরাম সর্দার রাজ্য পুলিশ বাহিনী। অগত্যা তাঁদের দিকে উড়ে এল রাশি রাশি বোতল, ইট, লোহার রড, গ্যালারির চেয়ার। প্রাণভয়ে কার্যত পালিয়ে গেলেন তাঁরা। এখানেই প্রশ্ন— এত বড় ইভেন্টের জন্য পুলিশি মক-ড্রিল প্রয়োজন। সেই প্রস্তুতি কি ছিল না? অনুষ্ঠানের চারদিন আগেই বিধাননগর পুলিশ জানিয়ে দিয়েছিল, জলের বোতলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাহলে অবাধে সেই জলের বোতল বিক্রিতে পুলিশি নজরদারি নেই কেন? এপ্রসঙ্গে বিধাননগর কমিশনারেটের দাবি, ‘৬টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রচার করা হয়েছে। এই ঘটনা অনভিপ্রেত।’ অন্যদিকে বিধাননগর পুলিশের দাবি, আয়োজকরা জানিয়েছিল ৩৩ হাজার টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু, এদিন দর্শকাসনে খুব কম হলেও ৫০ হাজারের বেশি মেসিভক্ত হাজির ছিলেন। তাহলে সেই তথ্য কি পুলিশের কাছে ছিল না? এই দায় কার? দর্শকরা গোটা বিশৃঙ্খলার জন্য দায়ী করছেন উদ্যোক্তা ও প্রশাসনকেই। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ