Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মাঝেরচড়া থেকে চৌধুরীপাড়া পর্যন্ত রাস্তায় নেই পথবাতি,মহিশুড়া পঞ্চায়েতে ক্ষোভ

নবদ্বীপ ব্লকের মহিশুড়া পঞ্চায়েতের মাঝেরচড়া থেকে মালিতাপাড়া হয়ে চৌধুরীপাড়া পর্যন্ত রাস্তায় নেই কোনও পথবাতি।

মাঝেরচড়া থেকে চৌধুরীপাড়া পর্যন্ত রাস্তায় নেই পথবাতি,মহিশুড়া পঞ্চায়েতে ক্ষোভ
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: নবদ্বীপ ব্লকের মহিশুড়া পঞ্চায়েতের মাঝেরচড়া থেকে মালিতাপাড়া হয়ে চৌধুরীপাড়া পর্যন্ত রাস্তায় নেই কোনও পথবাতি। ফলে সন্ধ্যা নামতেই গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি অন্ধকারে ডুবে যায়। অন্ধকারে যাতায়াত করতে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পড়ুয়াদের একমাত্র ভরসা টর্চ কিংবা মোবাইলের আলো। তবে, রাস্তার দু’ধারে ফাঁকা জলাজমি ও বন-জঙ্গল থাকায় সাপের উপদ্রব বাড়ছে। শুধু তাই নয়, সন্ধ্যার পর অন্ধকার ওই রাস্তায় অপরিচিত লোকের আনাগোনা বাড়ছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদে একাধিকবার পথবাতির আবেদন জানিয়েও কোনও কাজ হচ্ছে না।

Advertisement

নবদ্বীপ ব্লকের মহিশুড়া পঞ্চায়েত এলাকায় চৌধুরীপাড়া, মালিতাপাড়া, মাঝেরচড়া সহ আশপাশের অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। এসব গ্রামের বাসিন্দাদের অধিকাংশই শ্রমজীবী। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চৌধুরীপাড়া, মালিতাপাড়া সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা মহিশুড়ার মাঝেরচড়া হয়ে কেউ নবদ্বীপ শহরে যায়। কেউ বা পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাট এলাকায় যাতায়াত করে। অথচ দীর্ঘ প্রায় আড়াই কিলোমিটার রাস্তায় কোনও পথবাতি নেই। মালিতাপাড়ার বাসিন্দা দশম শ্রেণির ছাত্র সোহন মালিতা বলে, আমি নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ বিদ্যাপীঠের ছাত্র। সন্ধ্যার পর প্রাইভেট টিউশনি পড়ে বাড়ি ফেরার সময় অন্ধকারে খুবই সমস্যা হয়। আমাদের গ্রামের রাস্তায় কোনও আলো নেই। মহিবুল মালিতা বলেন, মালিতাপাড়ার রাস্তায় ঢোকার মুখে একটিমাত্র আলো থাকলেও বিস্তীর্ণ এলাকায় কোনও পথবাতির ব্যবস্থা নেই। এব্যাপারে পঞ্চায়েতকে জানিয়েও কোনও কাজ হচ্ছে না।

স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ওসমান মালিতা বলেন, প্রতিদিন শতাধিক মানুষ এই রাস্তা দিয়ে জীবিকার সন্ধানে নবদ্বীপ কিংবা পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাটে যায়। পথবাতির জন্য আমরা পঞ্চায়েতে বারবার জানিয়েছি। কিন্তু, পঞ্চায়েতের ফান্ড না থাকায় আলো লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। তবুও আমরা স্থানীয় বিধায়কের কাছে আবেদন করেছি। বিধায়ক তহবিলের টাকায় এই এলাকায় আলো লাগানো গেলে মানুষের কাছে আমাদের মুখরক্ষা হয়। সাধারণ মানুষ তাদের অভিযোগ নিয়ে আগে পঞ্চায়েতেই আসে। মহিশুড়া পঞ্চায়েতের উপ প্রধান আকমল সর্দার বলেন, ওই এলাকায় রাস্তায় আলো নেই। গ্রামবাসীদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। পাড়ায় সমাধান থেকে কিছু আলো লাগানোর চেষ্টা হচ্ছে। পঞ্চায়েতের ফান্ডের সমস্যা রয়েছে। ফান্ড এলেই আলো লাগানো হবে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ