Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পথবাতি নেই, সন্ধ্যার পরই অন্ধকার রাজারহাট থেকে শাসনের খড়িবাড়ি

সন্ধ্যার সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে শাসনের খড়িবাড়ি। শীতকালে বিকাল পাঁচটা বাজলেই রাস্তা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়টি অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে।

পথবাতি নেই, সন্ধ্যার পরই অন্ধকার রাজারহাট থেকে শাসনের খড়িবাড়ি
  • ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সন্ধ্যার সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে শাসনের খড়িবাড়ি। শীতকালে বিকাল পাঁচটা বাজলেই রাস্তা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়টি অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন এই সমস্যায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীরা। কোনও পথবাতি না থাকায় এলাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা যেমন বাড়ছে, তেমনই মাঝেমধ্যে অপকর্মের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ। তাই দ্রুত খড়িবাড়ি মোড়ে আলো বসানোর দাবি উঠেছে।

Advertisement

বারাসত ২ ব্লকের কীর্তিপুর ১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত খড়িবাড়ি মোড়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রাস্তা দিয়েই দেগঙ্গা, রাজারহাট, বারাসত ও মধ্যমগ্রামের মতো একাধিক ব্যস্ত এলাকায় যাতায়াত করা হয়। রোজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অসংখ্য ছোটো-বড়ো যানবাহন এই পথ ব্যবহার করে। অথচ সন্ধ্যার পর আলো না থাকায় প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেকেই সন্ধ্যার পর একা এই রাস্তা ব্যবহার করতে ভয় পাচ্ছেন। বেশ কয়েকবার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এছাড়া এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, রোজ গভীর রাতে মাছের পাইকারি ও খুচরো বাজার বসে। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা এখানে মাছ কিনতে আসেন। কিন্তু আলো না থাকায় বাজার এলাকাতেও দেখা দিচ্ছে নানা সমস্যা। ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, অন্ধকারের কারণে অনেক ক্রেতাই বাজারে আসতে অনিচ্ছুক। ফলে ব্যবসায় প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি অন্ধকার থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা দিগম্বর জানা বলেন, শীতকালে বিকেল পাঁচটার পর থেকেই চারপাশে নেমে আসে ঘন অন্ধকার। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ব্যস্ত বাজার এলাকাকে আলোহীন অবস্থায় রেখে দেওয়া নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আরেক বাসিন্দা রাজা গাঁয়েন বলেন, একটি বা দুটি আলো নয়, গোটা খড়িবাড়ি মোড় ও সংলগ্ন রাস্তার দু’পাশে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট বসানো প্রয়োজন। অবিলম্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত।

এনিয়ে কীর্তিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃষ্ণা পাত্র বলেন, সমস্যা আছে এটা ঠিক। আমরাও পরিকল্পনা নিয়েছি আলো বসানোর। এখন দেখার, স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের এই দাবি কবে পূরণ হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ