শ্যামলেন্দু গোস্বামী, বারাসত: বারাসতে কালীপুজো শুরু করেছিল রেজিমেন্ট ক্লাব। স্থানীয়রা সে কথাই বলেন। প্রতিবছরই এই ক্লাবের পুজো ঘিরে বিপুল ভিড় জমে। প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পুজো ঘিরে মানুষের আগ্রহ রয়েছে। দেশের বিখ্যাত মন্দিরগুলিকে থিম হিসেবে তুলে ধরে তারা। দর্শকদের উপহার দেয় রূপকথার জগৎ। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে। এবার তৈরি করছে তিরুপতি বালাজি মন্দির। দক্ষিণ ভারতের সে দেবালয়ে যান লক্ষ লক্ষ ভক্ত। সে মন্দিরের অনুকরণেই সাজছে রেজিমেন্ট ক্লাবের মণ্ডপ। সাদা পাথরের গঠন ও নকশা। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, দক্ষিণ ভারতের আত্মা এসে মিশবে বারাসতের বাতাসে। থাকছে চন্দনগরের আলোকসজ্জা। তার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠবে দেবতার মাহাত্ম্য। রেজিমেন্ট ক্লাবের পুজোর ভিন্ন পরিচয়ও আছে। এখানের মূর্তি নজর কাড়ে সকলের। ক্লাবের সদস্যরা বলেন, লক্ষ্য শুধু থিম নয়, মানুষকে আধ্যাত্মিক জগতে নিয়ে যাওয়াও লক্ষ্য। পুজো ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকাজুড়ে উৎসবের হাওয়া। মূল মন্দিরের স্থাপত্য ও রঙের সামঞ্জস্য রক্ষা করে প্যান্ডেল তৈরি করতে দিনরাত পরিশ্রম করছেন মেদিনীপুরের শিল্পীরা। ক্লাবের কর্মকর্তা মলয় ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের পুজো এবার ৬৯তম বর্ষে। এ পুজো সবথেকে প্রাচীন। নওপাড়ার কাছে জাতীয় সড়কে সন্ধ্যা নামলেই জমে ওঠে ভিড়। আলোয় ঝলমল করে চারপাশ। ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন রেজিমেন্ট ক্লাবকে আলাদা করে তোলে।



