রবীন রায়, আলিপুরদুয়ার: জেলা সদরের বাইরে হলেও ভিন্ন ধরনের থিমের কারণে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের সোনাপুর পূজারি সংঘের পুজো মণ্ডপ প্রতিবছরই দর্শকদের নজর কেড়ে নেয়। এবছর ৬১তম বছরে তাদের পুজো মণ্ডপের থিম ‘স্বপ্নের কোলাজ’। পূজারি সংঘের অনবদ্য মণ্ডপ সাজানো হচ্ছে কাপড়ের ফিতে, প্লাইউড ও সুতোর কাজ দিয়ে। এছাড়াও পুজো মণ্ডপে প্রায় ১২০০টি টিন কেটে বসানো হচ্ছে নানা দেবদেবীর মূর্তি।
গত বছর পূজারি সংঘের মণ্ডপের থিম ছিল ‘নাচ ময়ূরী নাচ রে’। ভিন্ন স্বাদের থিমের কারণেই পুরস্কার ছিনিয়ে নেওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কম বাজেটের মণ্ডপ বানিয়েও গতবছর তিনটি পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছিল পূজারি সংঘ। এবার তাদের ‘স্বপ্নের কোলাজ’ পুজোমণ্ডপের সামনে দর্শকদের নজর কাড়বে ধ্যানরত গৌতম বুদ্ধ। নজর কাড়বে শিবের মূর্তি। মণ্ডপে ঢোকার পথে দর্শকরা দেখতে পারবেন দু’টি ঘোড়া। সোনাপুরে ফোর লেন তৈরির কাজ চলছে। তার জেরে পুজো মণ্ডপের জায়গা এবার বদল করতে হয়েছে। সেজন্য একটু সমস্যাও হচ্ছে।
সম্পাদক দীপু সেন বলেন, আমাদের দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছেন কোচবিহারের বাপি পাল। ‘স্বপ্নের কোলাজ’-এর পুজো মণ্ডপের ভাবনা মেদিনীপুরের মণ্ডপশিল্পী রাজেশ্বর মাইতির। তিনিই মণ্ডপ সাজিয়ে তুলছেন। এদিকে, পুজো কমিটির সম্পাদক প্রণব দাস ও কোষাধ্যক্ষ সুনীল রায় বলেন, প্রতিবছর পুজোতে ক্লাব দুঃস্থদের মধ্যে বস্ত্র বিলি করে। এবছরও করা হবে। এছাড়া সারা বছর নানা সামাজিক কাজকর্ম করে থাকি।
সোনাপুরের পাশেই আছে চিলাপাতার গভীর জঙ্গল। পূজারি সংঘের ক্রীড়া সম্পাদক সাধন সাহা ও সহ সভাপতি মানিক সাহা বলেন, পুজোর সময় চিলাপাতায় বেড়াতে আসা দেশ-বিদেশের পর্যটকরাও আমাদের পুজো মণ্ডপ ঘুরতে আসেন। পর্যটকরাও এই পুজোয় একাত্মবোধ করে। সেজন্য আমাদেরও বাড়তি আনন্দ হয়। সব মিলিয়ে ভিন্ন স্বাদের থিম এবারও আলাদা করে নজর কাড়বে।



