সংবাদদাতা, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় এবার ৩ হাজার ২৮৬টি পুজো কমিটির হাতে সরকারি আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হল। সরকারি অনুদান প্রাপকের সংখ্যা গত বছর অপেক্ষা এবার ৮৪৯টি বেশি। গত বছর মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২ হাজার ৪০৭টি পুজো কমিটি অনুদান পেয়েছিল। বহরমপুরে শহরে ১০০টি বেশি পুজো কমিটিকে সরকারি সাহায্যের তালিকায় যোগ করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের অডিটোরিয়াম হল থেকে পুজো কমিটির সদস্যদের হাতে এক লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে এবারের পুজোয় বহরমপুর সহ ডোমকল, কান্দি, বেলডাঙা, লালবাগের রুট ম্যাপও প্রকাশ করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুশান্ত কবিরাজ বলেন, বহরমপুর শহরে ছ’শোর বেশি পুজো রয়েছে। গোটা জেলা থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। তাঁদের বলব পুজোয় প্রকাশিত রুট ম্যাপ দেখে প্রশাসনকে সহযোগিতা করুন।
সোমবারে সান্ধ্য অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন জেলাশাসক আর অর্জুন, জেলা পুলিশ সুপার শচীন মক্কার, বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা সন্দীপ সান্যাল, অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের আধিকারিক সহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। জেলাশাসক আর অর্জুন বলেন, সব পুজো কমিটির কাছে আমাদের অনুরোধ আপনারা সরকারি নিয়ম বিধি মেনেই পুজোর আনন্দ উপভোগ করুন। আপনাদের আনন্দে কারও যেন কোনো ব্যঘাত না ঘটে। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার সুপার শচীন মক্কার বলেন, পুজোর সময় আপনাদের সহযোগিতার জন্য চব্বিশ ঘণ্টা পুলিশ তৎপর থাকবে। যে কোনো সমস্যায় স্থানীয় থানা বা পুলিশ সুপারের অফিসে যোগাযোগ করতে পারবেন। সব রকমের সহযোগিতা করা হবে। কোথাও যেন কোনো অগ্নি সংযোগের ঘটনা না ঘটে সেদিকে সজাগ থাকবেন।
দুর্গাপুজোয় শহরের পুজো দেখতে যানজট সমস্যা তৈরি হয়। আর এই যানজট সমস্যার মোকাবিলার জন্য পুলিশ প্রশাসনের তরফে প্রতিটি শহরের জন্য প্রতিবছর আগাম একটি রুট ম্যাপ প্রকাশ করা হয়। সেখান থেকে দর্শনার্থীরা অবগত হতে পারেন, কোন এলাকায় বাইক বা ছোট গাড়ি চলাচলে বাধা থাকবে না। কোথায় কোথায় রাস্তা একমুখি করা হচ্ছে। কোন কোন মণ্ডপে হেঁটে ঢুকতে হবে।



