Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শহিদ মিনারে সভায় উত্তর ২৪ পরগনা থেকেই ৩০ হাজার লোক আনার টার্গেট, মাইক বাঁধতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ শুভঙ্করের

এবার ২১ জুলাই শক্তি প্রদর্শনে মরিয়া প্রদেশ কংগ্রেস। কলকাতার শহিদ মিনারে বড়ো জনসভার মাধ্যমে দিনটি পালনের ডাক দিয়েছে তারা।

শহিদ মিনারে সভায় উত্তর ২৪ পরগনা থেকেই ৩০ হাজার লোক আনার টার্গেট, মাইক বাঁধতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ শুভঙ্করের
  • ২০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এবার ২১ জুলাই শক্তি প্রদর্শনে মরিয়া প্রদেশ কংগ্রেস। কলকাতার শহিদ মিনারে বড়ো জনসভার মাধ্যমে দিনটি পালনের ডাক দিয়েছে তারা। এই কর্মসূচি সফল করতে উত্তর ২৪ পরগনায় জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এই জেলা থেকে অন্তত ৩০ হাজার কর্মী-সমর্থককে সমাবেশে নিয়ে যাওয়াই কংগ্রেস নেতৃত্বের লক্ষ্য। বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, বসিরহাট, হাসনাবাদ, রাজারহাটসহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মীরা যাতে শহিদ মিনারের সভায় যোগ দেন, তার জন্য চলছে নিবিড় সাংগঠনিক তৎপরতা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে কর্মিসভা, সাংগঠনিক বৈঠক ও জনসংযোগ কর্মসূচি করছেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কংগ্রেস সভাপতি শিবমাল্য বসু। সবক্ষেত্রেই একটাই বার্তা দিচ্ছেন তিনি, ২১ জুলাই শহিদ মিনারের কর্মসূচিকে সফল করতে হবে। কংগ্রেস নেতা বিশাল সরকারের দাবি, ‘এবারের শহিদ  দিবস শুধুমাত্র স্মরণ নয়, প্রতিবাদের মঞ্চ। সংবিধান রক্ষা, বাংলার যুব সমাজের ভবিষ্যৎ, বেকারত্বের প্রশ্ন ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার মতো বিষয়কে সামনে রেখেই কর্মসূচি আয়োজন করা হচ্ছে।’ ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের মিছিলে পুলিশের গুলি চালনার ঘটনায় মণীশ গুপ্তের ভূমিকা নিয়ে ফাইল খোলারও দাবিও তোলা হবে বলে জানান তিনি। এদিনই বসিরহাট টাউন হলে তৃণমূল ছেড়ে প্রায় ৪৫০ জন কর্মী অধীর চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে আছেন প্রবীণ নেতা অসিত মজুমদারও।   

Advertisement

এদিকে, রবিবার শহিদ মিনারে গিয়ে সভার প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তাঁর অভিযোগ, ‘প্রয়োজন অনুযায়ী মাইক বাঁধার অনুমতি দিচ্ছে না পুলিশ। অথচ আমাদের এই সভার অনুমতি নেওয়া হয়েছে সবার আগে। আমরা দেখছি, বিজেপি সরকারের পুলিশ তৃণমূলের একটি অংশকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার সবরকম চেষ্টা করছে। ফলে ওই ২১ জুলাই বকলমে বিজেপির হতে চলেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ