বেঙ্গালুরু: বিমানবন্দরে সোনা পাচারের সময় ভিআইপি প্রোটোকলের সুযোগ নিয়েছেন কন্নড় অভিনেত্রী রন্যা রাও। তাঁর সৎ বাবা অর্থাৎ কর্ণাটক পুলিসের ডিজিপি কে রামাচন্দ্র রাওয়ের নাম ও পদ ব্যবহার করেই বিমানবন্দরের নিরাপত্তারক্ষীদের চোখে ধুলো দিয়েছেন তিনি। এমনই অভিযোগে মঙ্গলবার রন্যার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল কর্ণাটক সরকার। এক্ষেত্রে তদন্তকারীদের নজরে রয়েছেন রামাচন্দ্রও। পুরো ঘটনায় তাঁর কোথাও কোনও মদত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও রন্যার গ্রেপ্তারির পরই তাঁর সৎ বাবা জানিয়েছিলেন, এনিয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। বর্তমানে মেয়ের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।
এদিন এই মামলায় রন্যার এক বন্ধুকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বেঙ্গালুরুর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পরিবারের ওই সন্তান কোন্ডুরাজু রন্যার সঙ্গে দুবাই গিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই রন্যার এই বন্ধুকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ডিআরআই। সূত্রে খবর, দুই বন্ধু মিলে বিদেশ থেকে সোনা পাচারে একের পর এক পরিকল্পনা করেছিলেন। সম্প্রতি রন্যার সঙ্গে যতীন হুক্কেরির বিয়ের পর তাঁদের বন্ধুত্বে ভাঁটা পড়েছিল। তবে যোগাযোগ ছিল। দুবাইয়ে রন্যার সঙ্গে ছিলেন ওই তরুণও।
উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সেলিব্রিটিদের জন্য বিমানবন্দরে কিছু বাড়তি সুবিধা মেলে। রন্যা সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁর সৎ বাবা একজন আইপিএস আধিকারিকের পাশাপাশি কর্ণাটক স্টেট পুলিস হাউজিং অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। এখন প্রশ্ন উঠেছে, কোন পরিস্থিতিতে রন্যাকে এই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে? নেপথ্যে কি তাঁর বাবাও কোনওভাবে যুক্ত ? আপাতত সেই বিষয়গুলির তদন্ত চলছে।