Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খন্দে ভর্তি অঙ্কুরহাটির জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি পার্কের রাস্তা

প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা। সেটি হাওড়া-আমতা রোডকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে। এই রাস্তার পাশেই রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি পার্ক।

খন্দে ভর্তি অঙ্কুরহাটির জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি পার্কের রাস্তা
  • ১৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা। সেটি হাওড়া-আমতা রোডকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে। এই রাস্তার পাশেই রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি পার্ক। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে সংস্কারের অভাবে রাস্তার অবস্থা বর্তমানে বেহাল। বড় বড় গর্ত হয়ে তা এখন মরণফাঁদের চেহারা নিয়েছে। প্রায়দিনই ঘটছে  দুর্ঘটনা। ফলে ব্যবসায়ীদের অনেকেই জুয়েলারি পার্কে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

Advertisement

অঙ্কুরহাটির ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের মোড় থেকে হাওড়া-আমতা রোডের মাকড়দহে যাওয়া-আসার জন্য রোজ হাজার হাজার মানুষ রাস্তাটি ব্যবহার করে। অঙ্কুরহাটি জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি পার্কের ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটে রোজ বড় বড় লরিও যাওয়া-আসা করে। হাওড়া-আমতা রোডের উপর একাধিক বেসরকারি স্কুলের পুলকারগুলি যাতায়াত করে এই রাস্তা দিয়েই। শুধু তাই নয়, এই রাস্তা দিয়েই মাকড়দহের বহু ছোট-বড় কাপড়ের কারখানা থেকে জাতীয় সড়কে তৈরি হওয়া হাটগুলিতে কাপড় পাঠানো হয়। অথচ এই রাস্তার অবস্থায় গত কয়েক বছর ধরে বেহাল। বর্ষায় বড় বড় গর্ত সুইমিং পুলে পরিণত হয়েছে। প্রায়দিনই টোটো উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে। বাইক নিয়ে পড়ে গিয়ে চোট পাচ্ছেন চালকরা। বর্তমানে রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে, গাড়ি ছাড়া শিশুদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার উপায় নেই।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বেহাল অবস্থার কারণে গোটা রাস্তায় সবসময় যানজট লেগে থাকছে। জানা গিয়েছে, এই রাস্তার পাশেই রয়েছে বেশ কয়েকটি মাংসের দোকান। সেখান থেকে রক্ত এসে মিশছে খানাখন্দে জমা হওয়া বৃষ্টির জলে। সেই কারণে বাইরের অনেক ব্যবসায়ীই জুয়েলারি পার্কে আসতে চাইছেন না বলেও অভিযোগ। গত মঙ্গলবার এমএসএমইর একটি বিশেষ অনুষ্ঠান ছিল এখানে। বেহাল রাস্তার কারণে গয়না প্রস্তুতকারক ব্যবসায়ীদের সংখ্যাও ছিল হাতেগোনা।
এদিকে, রাস্তা সারাই করতে গিয়েও রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে পূর্তদপ্তর। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আশেপাশের জমি ও নিকাশি নালার তুলনায় রাস্তা অনেকটাই নিচু। ফলে কোনওভাবেই জমা জল সরছে না। তাই রাস্তা সারাইয়ের আগে প্রথমে রাস্তা উঁচু করার কাজ শুরু করছে পূর্তদপ্তর। কিন্তু লাগাতার বৃষ্টিতে সেই কাজও কঠিন হয়ে উঠেছে। হাওড়া পিডব্লুডির (রোডস) এক আধিকারিক বলেন, বৃষ্টিতে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাস্তা উঁচু করে পেভার ব্লক বসিয়ে দেওয়া হবে। তাহলে কোনও ভোগান্তি থাকবে না। বাসিন্দাদের দাবি, নিকাশি নালা সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ার কারণে জলের সমস্যা আদৌ ভবিষ্যতে মিটবে কি না  সন্দেহ।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ