সংবাদদাতা, বারুইপুর: বারুইপুর কলেজের সামনে পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা এখন মরণফাঁদে পরিণত। গর্ত হয়ে, জল জমে শোচনীয় অবস্থা। অভিযোগ, বারুইপুর পুরসভার অম্রুত জলপ্রকল্পের পাইপলাইন বসানোর পরেই রাস্তার দফারফা হয়েছে। ঘটছে দুর্ঘটনাও। বারংবার প্রশাসনের সব স্তরে জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি। দিনের পর দিন এই অবস্থায় কল্যাণপুর ও হরিহরপুর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা বেজায় ক্ষুব্ধ।
এই প্রসঙ্গে কল্যাণপুর পঞ্চায়েতের প্রধান অনামিকা নস্কর বলেন, রাস্তার ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। হরিহরপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কমল মিত্র বলেন, বিষয়টি দেখব। আর বারুইপুর কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ চঞ্চলকুমার মণ্ডল বলেন, রাস্তাটি দিয়ে পড়ুয়াদের যেতে অসুবিধা হচ্ছে। অবিলম্বে এর মেরামত প্রয়োজন।
একেবারে স্মৃতিমহল এলাকা থেকে পঞ্চাননতলা পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা অতি বেহাল। পিচের দেখা নেই। ছোট-বড় গর্ত হয়ে কদাকার অবস্থা। এই রাস্তা দিয়ে কল্যাণপুর ও হরিহরপুর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা যেমন যাতায়াত করেন, তেমনই স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদেরও নিত্য যাতায়াত। টোটো, অটো চলাচল করে। কিন্তু কয়েক মাস ধরেই রাস্তাটি শ্রী হারিয়েছে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, পুরসভার জলের পাইপ বসানোর পর থেকেই রাস্তার এমন অবস্থা। কাজ হয়ে যাওযার পরে রাস্তা সারানোর দিকে কারও নজর নেই। জলের উপর দিয়েই পড়ুয়াদের যেতে হচ্ছে স্কুল-কলেজে।
এই রাস্তার জন্য পুরন্দরপুরের শ্মশানযাত্রীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দিনের পর দিন। প্রায় সময়ই অটো-টোটো উল্টে যাচ্ছে। ভারী বৃষ্টি হলে রাস্তার অবস্থা যে কী হবে, তা ভেবেই ভয় লাগে। আর পড়ুয়ারা বলেন, রাস্তার জমা জলে পা দিয়ে কলেজ ও স্কুলে যেতে হচ্ছে। অনেক জায়গায়ই অসমান হয়ে গিয়েছে। একটু অসতর্ক হলেই হোঁচট খেতে হচ্ছে। সন্ধ্যার পরে তো যাতায়াত করাই দুষ্কর হয়ে উঠেছে।