Bartaman Logo
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মানবাজারে বালির দর ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব বিজেপির একাংশ

পরিবহণ খরচ বাদে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের ১২০০ টাকায় এক ট্রাক্টর বালি দেওয়া হচ্ছে।

মানবাজারে বালির দর ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব বিজেপির একাংশ
  • ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানবাজার: পরিবহণ খরচ বাদে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের ১২০০ টাকায় এক ট্রাক্টর বালি দেওয়া হচ্ছে। এদিকে সাধারণ মানুষকে এক ট্রাক্টর ১০০ সিএফটি বালি কিনতে গুনতে হচ্ছে মোটা টাকা। বর্ষায় মানবাজারে বালির দাম নিয়ে এমনই অভিযোগ উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন মানবাজার বিধানসভার বিজেপি নেতা বাণীপদ কুম্ভকার। মঙ্গলবারে তাঁর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা। শাসক দলের নেতা হয়েও বালির চড়া দাম নিয়ে সরব হওয়ায় অনেকেই তার প্রশংসাও করেছেন।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত ১৭ আগস্ট পুরুলিয়ার মানবাজারে জাইকা জল প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ আবাস এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার প্রাপকদের ১২০০ টাকায় বালি দেওয়ার কথা জানান তিনি। বর্ষায় জেলার বিভিন্ন বালিঘাটে নদী থেকে বালি তোলা বন্ধ রয়েছে। কয়েকটি ঘাটে আগে থেকে মজুত বালি বিক্রি হচ্ছে। মানবাজারের একটি বালিঘাটে স্টক বালি বিক্রি শুরু হয়েছে। তাতে আবাসের প্রাপকদের বারোশো টাকা করে ট্রাক্টর প্রতি বালি দেওয়া হচ্ছে বলে খবর সামনে এসেছে।
তবে স্থানীয়দের দাবি, আবাস যোজনার জন্য বারোশো টাকা নিলেও বাকিদের জন্য ঘাটে এক ট্রাক্টর বালির দাম নেওয়া হচ্ছে ৫৬০০ টাকা। এর সঙ্গে গাড়ির ভাড়া ও পরিবহণের অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় বাড়ি পর্যন্ত বালি পৌঁছতে ট্রাক্টর প্রতি খরচ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৮ হাজার টাকা। কোথাও সেই খরচ ৯ হাজার টাকাও হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি। প্রয়োজন থাকলেও এক ট্রলি বালি কিনতে কালঘাম ছুটছে মানুষের। নাকের ডগায় নদীর বালি দাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তবে বালি কারবারিদের মতে, বর্ষার আগে নদী থেকে বালি তুলে মজুত করতে হয় আবার সেই বালি গাড়িতে লোড করতে এমনিতেই খরচ ডবল হয়।
বিজেপি নেতা বাণীপদ কুম্ভকার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘ঘটা করে প্রচার করানো হচ্ছে আবাস যোজনায় প্রাপকদের বারোশো টাকায় বালি দেওয়া হচ্ছে, সঙ্গে তো এটাও বলা উচিত যে, বাকিদের কাছে ৮০০০-৯০০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।’ তাঁর এই পোস্ট ওই বালিঘাট কর্তৃপক্ষকে ইঙ্গিত করেই বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তবে এনিয়ে বিজেপি নেতার কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, শাসক দলের নেতা হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের কথা ভেবে বালির চড়া দাম নিয়ে তিনি যেভাবে সরব হয়েছেন তা প্রশংসার যোগ্য। 
মানবাজার বিধানসভার বিধায়ক ময়না মুর্মু অবশ্য বলেন, আবাস যোজনার সঙ্গে এলাকার সাধারণ মানুষও যাতে কম দামে বালি কিনতে পারে, সে  বিষয়টি আমরা নজর রেখেছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ