সংবাদদাতা, বনগাঁ: কালীপুজোর অপহরিহার্য উপকরণ জবা ফুল। ১০৮টি ফুলের মালার চাহিদাও থাকে তুঙ্গে। ফলে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দাম। সোমবার কালীপুজোর দিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখি ছিল জবা ফুলের দাম। এদিন রাজ্যের অন্যতম ফুল বাজার ঠাকুরনগরে সকালের দিকে ১ হাজার জবা হাজার টাকায় বিক্রি হলেও বেলা যত বেড়েছে, তত বেড়েছে জবা ফুলের দাম। বাজার শেষে প্রতি হাজার ফুলের দাম দু’হাজার টাকায় উঠেছে। তাও জোগান দিতে সমস্যায় পড়তে হয়েছে চাষী ও ব্যবসায়ীদের।
জবা ফুলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম বেড়েছে জবার মালার। সোমবার সকালে বাজারে ১০৮টি জবা ফুলের মালা ১৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বিকেলের পর থেকে ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ঠাকুরনগরের ফুল বাজারে এদিন সকালে এক হাজার পিস জবা ফুল একহাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। দুপুরের পর সেই ফুল দু’হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। গাইঘাটার শশাডাঙার বাসিন্দা ফুল চাষী সুব্রত বিশ্বাস বলেন, ‘অন্যান্য সময় প্রতি হাজার পিস জবার দর ৭০-৮০ টাকা থাকে। চাহিদা বেশি থাকলে ১০০ টাকাও হয়। কিন্তু সোমবার সকালে একহাজার টাকা দাম ওঠে। দুপুরের পর সেই দাম দু’হাজার ছাড়িয়ে যায়।’ বনগাঁ বাজারের ফুল ব্যবসায়ী প্রশান্ত রায় বলেন , ‘সকালের দিকে ১০৮টি ফুলের মালা দেড়শো টাকায় বিক্রি করেছিলাম। বিকেলে দাম বেড়ে যাওয়ায় আড়াইশো টাকায় বিক্রি হয়েছে।’ ফুল ব্যবসায়ী শিখা মণ্ডল বলেন, ‘স্টোরের জবা ফুলের দাম একটু কম থাকলেও তা অন্যান্য দিনের থেকে অনেক বেশি। টাটকা ফুল দু’হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেই ফুলের মালা গেঁথে আড়াইশো টাকায় না বিক্রি করলে লাভের মুখ দেখতে পাব না।’
জবার পাশাপাশি অন্যান্য ফুলেরও চাহিদা বাড়ায় কিছুটা দাম বেড়েছে। তবে তা সাধারণের নাগালের মধ্যে। এদিন ঠাকুরনগরে গাঁদা ফুল ৪০-৫০ টাকা, অপরাজিতা ফুল ১৫০ টাকা, আকন্দ ফুল ৮০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে। নিজস্ব চিত্র