Bartaman Logo
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খানা-খন্দে ভরা বঙ্কিম সেতু যেন মরণফাঁদ, প্রতি পদে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় বাইকচালকরা

একদিকে হাওড়া ময়দান, অন্যদিকে হাওড়া স্টেশন। শহরের এই দুই কেন্দ্রকে জুড়ে রেখেছে বঙ্কিম সেতু। এই সেতুই এখন হয়ে উঠেছে যাত্রীদের আতঙ্কের কারণ।

খানা-খন্দে ভরা বঙ্কিম সেতু যেন মরণফাঁদ,  প্রতি পদে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় বাইকচালকরা
  • ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: একদিকে হাওড়া ময়দান, অন্যদিকে হাওড়া স্টেশন। শহরের এই দুই কেন্দ্রকে জুড়ে রেখেছে বঙ্কিম সেতু। এই সেতুই এখন হয়ে উঠেছে যাত্রীদের আতঙ্কের কারণ। সেতুর দু’টি লেনের বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড়ো বড়ো গর্ত। কোথাও আবার পিচ উঠে সেতুর ঢালাই পর্যন্ত বেরিয়ে এসেছে। তার উপর বৃষ্টির জল জমায় গর্তগুলি চোখে পড়ছে না। ফলে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে এই রাস্তায় যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের।

Advertisement

বঙ্কিম সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন প্রচুর বাস, অটো, বাইক ও অন্যান্য যান চলাচল করে। হাওড়া ময়দান থেকে হাওড়া স্টেশন এবং উত্তর হাওড়ার একাধিক রুটের অটো এই পথ ব্যবহার করে। ২৮, ৭১ এবং সি রুটের বড়ো বাসও সেতুর উপর ইউ-টার্ন করে। ফলে রাস্তার এই বেহাল দশার কারণে যে কোনো সময় বড়ো দুর্ঘটনা হতে পারে বলে আশঙ্কা। অভিযোগ, প্রায় প্রতিদিনই অটোর চাকা গর্তে পড়ায় ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। শুধু যান চলাচলের প্রশ্নে নয়, এলাকার গুরুত্বের কারণেও বঙ্কিম সেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেতুর নীচেই বসে মঙ্গলাহাট। রয়েছে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ও ছাত্রীদের একটি কলেজ। সেতু থেকেই হাওড়া স্টেশনের দিকে দু’টি ক্যাব রোড নেমে গিয়েছে। হাওড়া ময়দান থেকে হাওড়া ব্রিজ পর্যন্ত এই রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কেএমডিএ’র। কিন্তু দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ।
বৃষ্টির পর পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়েছে। জল জমে থাকায় গর্তের গভীরতা বোঝার উপায় নেই। বাইক আরোহীদের জন্য তা কার্যত মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠেছে। বাইকচালক দীপক সিং, বিপুল জানা বলেন, ‘যে কোনো সময় বাইকের চাকা পিছলে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তার উপর দ্রুতগতিতে বাস, অটো চলছে।’ পরিস্থিতি সামাল দিতে কয়েকদিন আগে ট্রাফিকের কর্মীরা গর্তে মাটি ফেলে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিলেন। ট্রাফিকের এক আধিকারিকের কথায়, দ্রুত বঙ্কিম সেতুর রাস্তা মেরামত করা জরুরি। প্রসঙ্গত, শনিবার হাওড়ায় এসে শহরে একশোরও বেশি রাস্তা সংস্কারের কাজের সূচনা করেন পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। রাস্তা সংস্কারের জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পুজোর আগেই কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ