Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উদ্বোধনই হল না ধোবিঘাটের নয়া জেটির, বাঁশের সাঁকো দিয়েই পারাপার

বছর চারেক আগে বারাকপুর ধোবিঘাটে স্থায়ী জেটি তৈরি করেছিল জেলা প্রশাসন। কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমতি না থাকায় তা ব্যবহার করা যাচ্ছিল না

উদ্বোধনই হল না ধোবিঘাটের নয়া জেটির, বাঁশের সাঁকো দিয়েই পারাপার
  • ৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বছর চারেক আগে বারাকপুর ধোবিঘাটে স্থায়ী জেটি তৈরি করেছিল জেলা প্রশাসন। কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমতি না থাকায় তা ব্যবহার করা যাচ্ছিল না। অবশেষে মাস দুয়েক আগে সেখান থেকে অনুমতি আসায় বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড পরিবহণ দপ্তরের হাতে সেই জেটি তুলে দিয়েছে। কিন্তু এখনো সেই জেটির উদ্বোধন হলো না। যদিও জোয়ারের সময় ওই জেটি দিয়েই ফেরি চলাচল হয়। কারণ পুরনো বাঁশের জেটি তখন বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। সেখানে গিয়ে দেখা গেল, সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে। তবে টিকিট কাউন্টার তৈরির কাজ এখনো বাকি। যাত্রীদের জন্য চেয়ার বসানো হয়েছে। পল্টন জেটি বা গ্যাংওয়ে তৈরি হয়ে গিয়েছে। ওই জেটিতে কর্মরত এক শ্রমিক সন্তুকুমার সাহানি জানালেন, এখনো কাজ বাকি থাকায় সব সময়ের জন্য জেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

Advertisement

শ্রীরামপুর থেকে নিয়মিত বারাকপুরে কাজ করতে আসা সুদীপ সরকার জানালেন, প্রাণ হাতে করে এখনো আমাদের পুরনো জেটি ব্যবহার করতে হয়। অথচ মাস দুয়েক আগে নতুন জেটি হস্তান্তর হয়ে গিয়েছে। এখনো কেন নতুন জেটি আমরা সর্বক্ষণের জন্য ব্যবহার করতে পারছি না, সেটাই অবাক লাগছে। ওই জেটির দায়িত্বপ্রাপ্ত লিজ হোল্ডার তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কাজ শেষ হয়ে গেলে আশা করছি ১৫ দিনের মধ্যে নতুন জেটি পুরোদমে চালু করা যাবে।
স্থানীয় দোকানদার ও বাসিন্দারা জানান, বহু প্রাচীনকাল থেকে বারাকপুরের ধোবিঘাট থেকে শ্রীরামপুর পর্যন্ত ফেরি চলাচল করত। বছর চারেক আগে ধোবি ঘাটের পুরনো কাঠের জেটির পাশে লোহার জেটি তৈরি করেছিল রাজ্য সরকার। তবে বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড অনুমতি না দেওয়ায় সেই জেটি থেকে ফেরি চলাচল শুরু করা যায়নি। জেটিটি চালু করার জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়। সেখান থেকে অনুমোদন আসার পরে জেটি চালু করার জন্য প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ