ইঞ্জেকশনের জেরে মেডিকেলে সেই নাবালকের মৃত্যু নয় , ইঙ্গিত ময়নাতদন্তের রিপোর্টে
  • ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নাবালকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলে পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি ছিল, হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার জেরে মৃত্যু হয় পবন যাদবের। নির্দিষ্টভাবে মৃতের পরিবারের অভিযোগ, ভুল ইঞ্জেকশনের জেরেই পবনের শরীরে প্রতিক্রিয়া হয়। তার জেরেই নাবালকের মৃত্যু হয়। কিন্তু, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের প্রাথমিক ইঙ্গিত সেই অভিযোগ কার্যত খারিজ হয়ে গেল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ইঙ্গিত, নাবালকের ক্ষুদ্রান্তে একটি ফুটো ছিল। তার জেরেই শরীরের বিভিন্ন অ্যাসিড পাকস্থলীর বাইরে পড়ে। পেটের ভিতর প্রচুর পরিমাণে পুঁজ জমে গিয়েছিল। এসবের জেরে সেপটিক হয়েই নাবালকের মৃত্যু হয় বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। 

Advertisement

গত রবিবার ১১ বছরের বালক পবনের মৃত্যু ঘিরে কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ‘মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব’ চত্বরে উত্তেজনা তৈরি হয়। মৃতের বাবা নরেশ যাদবের অভিযোগ, সকাল ১০টা নাগাদ পেটে প্রচণ্ড ব্যথার জেরে ছেলেকে নিয়ে মা শিশুরোগ বিভাগে যান। এর পর পবনকে প্রথমে আপৎকালীন একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। তারপরও পেটের যন্ত্রণা সারেনি। তার জেরে সেটি দেওয়ার কিছুক্ষণ পরে আরও একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় নাবালককে। অভিযোগ ছিল, দ্বিতীয় ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরই বালকের মৃত্যু হয়। এরপরেই  ভুল চিকিৎসার অভিযোগ ওঠে। 
পরিবারের তরফে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়। এরপরেই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে চার সদস্যের একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম তৈরি করা হয়। 
ইতিমধ্যেই সেই টিমের একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। মেডিকেল কলেজ সূত্রে খবর, সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইঞ্জেকশনের কোনো প্রতিক্রিয়ার জন্য নাবালকের মৃত্যু ঘটেনি। নাবালককে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, তখনই তার শারীরিক অবস্থায় অত্যন্ত খারাপ ছিল। প্রাথমিকভাবে যে ইঞ্জেকশন ব্যবহার করা হয় তা-ও সঠিক ছিল। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টেই মৃত্যুর সঠিক কারণ স্পষ্ট হবে।