নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূল আমলে মাটি মাফিয়ারা সীমাহীন জুলমবাজি এবং অনৈতিক কাজকর্ম করত। তার জেরেই এখন কুমোরটুলির শিল্পীদের মাটি সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ পটুয়াপাড়ার মৃৎশিল্পী সংগঠনের কর্মকর্তা ও মৃৎশিল্পীদের একাংশের।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূল আমলে মাটি মাফিয়ারা সীমাহীন জুলমবাজি এবং অনৈতিক কাজকর্ম করত। তার জেরেই এখন কুমোরটুলির শিল্পীদের মাটি সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ পটুয়াপাড়ার মৃৎশিল্পী সংগঠনের কর্মকর্তা ও মৃৎশিল্পীদের একাংশের।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বাবু পাল মঙ্গলবার বলেন, ‘যতদিন যাচ্ছে ধীরে ধীরে মাটি নিয়ে নানা অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার যে সমস্ত অঞ্চল থেকে প্রতিমা তৈরির মাটি আসে সেখানে পূর্বতন সরকারের আমলে নানা অসাধু কাজকর্মের অভিযোগ এখন প্রকাশ্যে আসছে। আমাদের দাবি, আইন মোতাবেক যেভাবে মাটি আসা দরকার সেইভাবেই আসুক কুমোরটুলিতে। তাতে সমস্যায় পড়তে হবে না।’ মৃৎশিল্পীদের একাংশ এদিন তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে জানান, টাকার বিনিময়ে তাঁরা মাটি কিনে থাকেন। কিন্তু তার পিছনে মাটি মাফিয়ারা কী ধরনের অসৎ কাজ করেন তা তাঁরা জানেন না। তাঁদের কথায়, স্বচ্ছ পদ্ধতিতে মাটি আসুক এবং সমস্যা দ্রুত মিটুক। এদিন মৃৎশিল্পী সংগঠনের কয়েকজন কর্তার অভিযোগ, ‘ভোটের আগে কুমোরটুলির সামগ্রিক উন্নয়ন ও সংস্কার নিয়ে তৃণমূলের পূর্বতন বিধায়ক নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ভোটে হেরে যাওয়ার পর তাঁকে আর পটুয়াপাড়ার মহল্লায় দেখা যায়নি। গত ৩৫ দিন ধরে পটুয়াপাড়ায় মাটি সংকট চলছে। মৃৎশিল্পীরা রয়েছেন চরম কষ্টে। কাজকর্ম শিকেয় উঠেছে। অথচ তাঁদের পাশে একবারের জন্যও প্রাক্তন বিধায়কের দেখা মেলেনি।’ সংগঠনের কর্তা ও প্রতিমা শিল্পীদের একাংশ এদিন বলেন, ‘এই কঠিন সময় শ্যামপুকুরের বর্তমান বিধায়ক পূর্ণিমা চক্রবর্তী ইতিমধ্যে পটুয়াপাড়ায় গিয়ে মাটি ইস্যুতে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট মহলে কথাও বলেছেন।’ সবমিলিয়ে মাটি জট যখন একটু একটু করে খুলতে চলেছে তখন এই ইস্যুকে ঘিরে পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মৃৎশিল্পী থেকে সমিতির কর্মকর্তাদের একাংশ। নিজস্ব চিত্র