Bartaman Logo
৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নাগরাকাটার জলঢাকা রেলসেতু এখন হাতি দেখার ‘ভিউ পয়েন্ট’

নাগরাকাটার জলঢাকা রেলসেতু চত্বর এখন হাতি দেখার অন্যতম ‘ভিউ পয়েন্ট’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই হাতি দেখতে নাগরাকাটার বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক জনতা ভিড় জমাচ্ছেন নাগরাকাটা রেলসেতুর ওপারে নাগরাকাটা বিটের জঙ্গলে।

নাগরাকাটার জলঢাকা রেলসেতু এখন হাতি দেখার ‘ভিউ পয়েন্ট’
  • ৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: নাগরাকাটার জলঢাকা রেলসেতু চত্বর এখন হাতি দেখার অন্যতম ‘ভিউ পয়েন্ট’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই হাতি দেখতে নাগরাকাটার বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক জনতা ভিড় জমাচ্ছেন নাগরাকাটা রেলসেতুর ওপারে নাগরাকাটা বিটের জঙ্গলে। আর হাতির দলগুলিও প্রায় প্রতিদিন জঙ্গল থেকে বেরিয়ে কখনও রেলপুলের নীচ দিয়ে পারাপার করছে, কখনও রেল লাইনের উপর দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। হাতি দেখে লোকো পাইলটও ব্রেক কষে ট্রেন থামাচ্ছেন। 

Advertisement

রেল লাইনের দু’পাশেই হাতির দল এসে লতাপাতা খাচ্ছে। শুধু হাতি নয়, মাঝেমধ্যে বাইসনও বেরিয়ে আসছে। এমনকী ক’দিন আগে গন্ডারও রেল ব্রিজ চত্বরে এসেছিল। তাই বন্যপ্রাণী দেখতে প্রতিদিন জলঢাকা রেলসেতুর কাছে ভিড় বাড়ছে লোকজনের। তবে হাতি দেখতে ভিড় জমালেও তাদের কখনোই বিরক্ত করছে না সাধারণ মানুষ। শুধু নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে থেকে হাতির চলাফেরা, খাওয়াদাওয়া উপভোগ করছেন তাঁরা। কমবেশি সকলেই মোবাইলের ক্যামেরার বন্দি করছেন বন্যপ্রাণীর খুনসুটি। যদিও বনকর্মীরা সর্বদা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন। 
এলাকার বাসিন্দা উদয় সরকার বলেন, বিকেল হলেই জলঢাকা রেলসেতুর ওপারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হাতির দল আসছে। প্রতিদিনই লোকজন ভিড় করছে হাতি দেখতে। অনেকে ছবিও তুলছেন। রিলস বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করছেন। তবে সকলে নিরাপদ দূরত্বে থাকছেন। মাঝেমধ্যে আবার বাইসনও আসতে দেখা যাচ্ছে। 
উল্লেখ্য, নাগরাকাটার সুখানিবস্তির কাছে জলঢাকা রেলপুল। হাতির দল অনেক সময় রেল লাইনের ধারে চলে আসছে। লাইনেও উঠে পড়ছে। তাই এই অঞ্চলে ট্রেন চালকরা ট্রেনের গতি স্বাভাবিকভাবেই কম রাখছেন। সাধারণত বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত হাতিগুলি এই এলকাতে থাকছে। বনদপ্তর জানিয়েছে, যে সময় হাতি সহ বন্যজন্তু বের হচ্ছে সেই সময় বনকর্মীরা এলাকায় মোতায়েন থাকছেন। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ