Bartaman Logo
১১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রোজই মদের বোতল পরিষ্কার করতে হয় প্রধান শিক্ষিকাকে, জলপাইগুড়ি শহরে স্কুলের বারান্দায় নেশার আসর

সন্ধ্যা নামলেই নেশার আসর বসে স্কুলের বারান্দায়। কখনও বা স্কুলের ছাদে জমে ওঠে নেশার ঠেক। মধ্যরাত পর্যন্ত চলে আসর।

রোজই মদের বোতল পরিষ্কার করতে হয় প্রধান শিক্ষিকাকে, জলপাইগুড়ি শহরে স্কুলের বারান্দায় নেশার আসর
  • ২৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: সন্ধ্যা নামলেই নেশার আসর বসে স্কুলের বারান্দায়। কখনও বা স্কুলের ছাদে জমে ওঠে নেশার ঠেক। মধ্যরাত পর্যন্ত চলে আসর। আর তারপর পরদিন সকালে স্কুলে এসে সেই মদের বোতল, গ্লাস পরিষ্কার করতে হয় প্রধান শিক্ষিকাকে। দিনের পর দিন এমনটা চলতে থাকায় অবশেষে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। জলপাইগুড়ি শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত দেশবন্ধুনগর আর আর ২ নম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকার কাউন্সিলার থেকে থানা, সর্বত্র অভিযোগ জানানোর পরও স্কুলের বারান্দায় মদের আসর বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষিকা সংগীতা রায় সান্যাল। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলার সন্দীপ ঘোষ।

Advertisement

স্কুল চত্বরে নেশার আসর বসার পিছনে বাউন্ডারি ওয়াল না থাকাকেই দায়ী করেছেন প্রধান শিক্ষিকা। তিনি বলেন, প্রায় দিন স্কুলে এসে মদের বোতল, গ্লাস সহ অন্যান্য নেশার সামগ্রী সরাতে হয় আমাকে। পড়ুয়াদের সামনে এই কাজ করতে গিয়ে খুবই লজ্জিত হই। স্কুলের সামনে একটা ডাস্টবিন আছে। সেটা পড়ুয়ারা ব্যবহার করে। ফলে স্কুল চত্বর থেকে কুড়িয়ে পাওয়া বোতল, গ্লাস ওই ডাস্টবিনে ফেলা যায় না। স্কুলের পিছনের দিকে ফেলতে হয়। প্রধান শিক্ষিকার অভিযোগ, বারান্দা তো বটেই, স্কুলের ছাদেও নেশার আসর বসানো হয়। তাঁর দাবি, শনিবার এলাকার কাউন্সিলার স্কুলে এসেছিলেন। ওইদিনও আমাকে বিদ্যালয় চত্বর থেকে মদের বোতল কুড়িয়ে ফেলতে হয়েছে। কাউন্সিলারের পাশাপাশি জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর পরও পরিস্থিতির এতটুকু বদল হয়নি বলে তাঁর দাবি। 
স্থানীয় কাউন্সিলার সন্দীপ ঘোষ বলেন, বিষয়টি চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। বাইরের লোক কেউ এমনটা করছে তা হতে পারে না। যারা স্কুলের পরিবেশ নষ্ট করছে, তারা এলাকারই। ফলে দিনের পর দিন কারা এটা করে চলেছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে এলাকার বাসিন্দাদের। কাউন্সিলার হিসাবে আমার পক্ষে যতটা নজর রাখা উচিত, তা রাখব। পুলিশ প্রশাসন যাতে সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেব্যাপারে আবেদন জানানো হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ