Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অন্নপূর্ণা যোজনার প্রথম পর্যায়ের টাকা দেওয়া হবে বুধবার: শুভেন্দু

আগামী বুধবার ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র প্রথম পর্যায়ের টাকা উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হবে। শনিবার সকালে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানে এই কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

অন্নপূর্ণা যোজনার প্রথম পর্যায়ের  টাকা দেওয়া হবে বুধবার: শুভেন্দু
  • ৩১ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী বুধবার ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র প্রথম পর্যায়ের টাকা উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হবে। শনিবার সকালে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানে এই কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘ আপনারা কেউ বিচলিত হবেন না। বিভ্রান্ত হবেন না। গুজবে কানও দেবেন না। যাঁরা ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না, তাঁদের প্রত্যেকের কাছে আমাদের লোক যাবেন। তাঁরাই ফর্ম পূরণ করে আসবেন। আমরা চাই, প্রকৃত প্রাপকরা এই টাকা পাক। জনগণের টাকা যাতে কোনো অভারতীয় পেতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে আমরা সচেষ্ট। আমরা চাই না, এই টাকা পুরুষদের হাতে যাক। গ্রামেগঞ্জে যেসব পুরুষ লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছিলেন, তাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন।’ মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, সোমবার থেকে সরকারি বাসে বিনা খরচে যাতায়াত করতে পারবেন মহিলারা। আগামী ২২ জুন, রাজ্য বাজেটে সাধারণ মানুষের আরও প্রত্যাশা পূরণ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

Advertisement

এদিকে, ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম বিতরণ ও জমা নেওয়ার প্রক্রিয়ায় রেশন ডিলারদেরও যুক্ত করা হচ্ছে। খাদ্যদপ্তর এ বিষয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। কিন্তু দপ্তরের স্থানীয় অফিসের আধিকারিকরা এই প্রক্রিয়ায় ডিলারদের যোগ দেওয়ার জন্য মৌখিকভাবে ‘অনুরোধ’ করছেন। উত্তর শহরতলির কয়েকটি পুরসভা এলাকায় সরকারি আধিকারিকরা শনিবার ছুটির দিনেও ডিলারদের সঙ্গে এনিয়ে বৈঠক করেছেন। অতিরিক্ত জেলাশাসকরাও বৈঠকে যোগ দেন। জানা গিয়েছে, রেশন ডিলারদের কাছে যে অন্ত্যোদয় গ্রাহকরা আছেন, তাঁদের প্রথমে ফর্ম দিতে বলা হয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় রেশন ডিলারদের যুক্ত করার তীব্র আপত্তি জানিয়েছে তাদের সর্বভারতীয় সংগঠন। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস  শপ ডিলার্স ফেডারেশন এনিয়ে খাদ্যদপ্তরের প্রধান সচিব পারভেজ আমেদ সিদ্দিকিকে চিঠি দিয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু লিখেছেন, ‘এটা ডিলারদের কাজ বা দায়িত্ব হতে পারে না। তাঁরা খাদ্যশস্য বন্টন করেন। তাঁদের কাজের চাপ বেড়ে যাবে। তাছাড়া এই কাজ করার জন্য সরকার কোনো বিজ্ঞপ্তিও জারি করেনি।’ প্রসঙ্গত, এই প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের যুক্ত করা নিয়েও তাঁরা নানা জায়গায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।

সম্পর্কিত সংবাদ