Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলার অস্মিতারক্ষার লড়াই: ব্রাত্য, কমিশনকে দুষল তৃণমূল

নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে। ওদের দ্বিচারিতা নিন্দনীয়। তারা নিয়ম বানাচ্ছে শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসকে আটকানোর জন্য! বুধবার, কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এই অভিযোগ করলেন দক্ষিণ দমদমের তৃণমূল প্রার্থী ব্রাত্য বসু।

বাংলার অস্মিতারক্ষার লড়াই: ব্রাত্য, কমিশনকে দুষল তৃণমূল
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে। ওদের দ্বিচারিতা নিন্দনীয়। তারা নিয়ম বানাচ্ছে শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসকে আটকানোর জন্য! বুধবার, কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এই অভিযোগ করলেন দক্ষিণ দমদমের তৃণমূল প্রার্থী ব্রাত্য বসু। 

Advertisement

সম্প্রতি, নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, নিজের বিধানসভা এলাকার বাইরে অন্যকোনো এলাকায় কেউ থাকতে পারবেন না। সমস্ত হোটেল, রিসর্ট, লজ প্রভৃতি বন্ধ করে দিতে হবে। সেখানে বাড়াতে হবে পুলিশের নজরদারি। নির্বাচন কমিশনের আরো ‘ফতোয়া’—বিভিন্ন আবাসনে কোনো আত্মীয়-স্বজন পর্যন্ত থাকতে পারবেন না। যিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার নন, তিনি অন্য এলাকায় গিয়ে নিজের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটেও গিয়ে থাকতে পারবেন না। এসব অদ্ভুত নির্দেশিকা ঘিরে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নির্দেশিকার কারণে দীঘা-মন্দারমণিসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটক নেই।  সংগত প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস, তাহলে ভিন রাজ্য থেকে এখানে বিজেপির যেসব নেতা-কর্মী ভোট করাতে আসছেন, তাঁরা কীভাবে থাকতে পারেন? এই প্রেক্ষিতে ব্রাত্য বসু বলেন, নির্বাচন কমিশন যে একটি নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ করছে, সেটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। নিয়ম তো সকলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু বিজেপির ক্ষেত্রে একরকম নিয়ম আর অন্যান্য দলের ক্ষেত্রে অন্যরকম! আমাদের দলের তরফে সব জায়গায় নজর রাখা হচ্ছে—বহিরাগতরা কোথাও এসে থাকছেন কি না। বিষয়টিতে প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপও করতে পারে আমাদের দল। আবাস যোজনা, ১০০ দিনের কাজসহ বিভিন্ন প্রকল্পে বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় বঞ্চনার দৃষ্টান্তও তুলে ধরেন ব্রাত্য। তাঁর বক্তব্য, একজনমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মরিয়া বিজেপি। এজন্য সমস্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহার করা হচ্ছে যেভাবে এবং প্রয়োগ করা হচ্ছে অন্যান্য ক্ষমতা, তৃণমূল নেতা তার কঠোর সমালোচনা করেন।  ব্রাত্য বলেন, এটা বাংলার অস্মিতারক্ষার লড়াই। দেশের মুকুটের মণি হল বাংলা। শান্তি, সম্প্রীতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির কেন্দ্র এই ভূমি। বাংলার সেই মর্যাদাকে গেরুয়াকরণের হাত থেকে রক্ষা করতেই হবে। একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকলেই সেটা সম্ভব। বিজেপি-শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে যেভাবে সিলেবাসে অবৈজ্ঞানিক বিষয় এবং কুসংস্কার ঢুকে পড়েছে, তার হাত থেকে বাংলার শিক্ষাকে বাঁচানোর লড়াই এটা, বলেছেন ব্রাত্য বসু।

সম্পর্কিত সংবাদ