পাটনা: শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ প্রদর্শন পড়ুয়াদের মৌলিক অধিকার। আর তা রক্ষা করার জন্য বিচার বিভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই অধিকার যদি লঙ্ঘিত হয়, তাহলে আদালত তা উপেক্ষা করবে না। এমনই মন্তব্য করলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শনিবার পাটনায় চাণক্য ন্যাশনাল ল’ ইউনিভার্সিটি (সিএনএলইউ)-র অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি। সেখানে তিনি পড়ুয়াদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন। জানান, অকপট প্রশ্নোত্তর পর্ব তিনি পছন্দ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ নিয়ে প্রধান বিচারপতিকে প্রশ্ন করেন এক ছাত্রী। পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভর প্রতি পুলিশের প্রতিক্রিয়া নিয়ে তাঁর মতামত জানতে চান তিনি। জবাবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘পুলিশের বিরুদ্ধে যে নৃশংস দমন-পীড়নের অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে আদালত মুখ ফিরিয়ে থাকবে না। পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষায় বিচার বিভাগ অঙ্গীকারবদ্ধ।’ বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে কলেজিয়ামের অন্দরে যে ভিন্নমত হয়, তা কখনই প্রকাশ্যে আনা হয় না কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন এক পড়ুয়া। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘তথ্য প্রকাশ করার উদ্দেশ্য যতই ভালো হোক, তার ফলে যদি কোনো ব্যক্তিকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়, তাহলে তা কখনই কাম্য নয়। ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রশ্ন জড়িত থাকলে স্বচ্ছতারও একটি সীমা থাকে।’ প্রধান বিচারপতি পালটা প্রশ্ন তোলেন, ‘কলেজিয়ামের কার্যবিবরণীতে যদি কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে তিনি কীভাবে তাঁর কাজ চালিয়ে যেতে পারেন?’



