


সুব্রত ভট্টাচার্য: ওঁর সঙ্গে বরাবরই আত্মিক সম্পর্ক ছিল। টুটুদা ক্লাবে আসা মানেই আলাদা অনুপ্রেরণা। মোহন বাগান সমর্থকদের মানসিকতা বদলে দিয়েছিলেন তিনি। দক্ষ প্রশাসক হিসাবে টুটুদার জুড়ি মেলা ভার। ওঁর প্রয়াণে অপূরণীয় ক্ষতি হল ময়দানের। ব্যক্তিগতভাবে মিস করব টুটুদাকে।
সত্যজিৎ চ্যাটার্জি: ইস্ট বেঙ্গল থেকে চিমাকে ছিনিয়ে এনেছিলেন। পরবর্তীকালে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যর দলবদল ঘিরেও উত্তেজনা চরমে ওঠে। টুটুদা না থাকলে সেসব অপারেশন সম্ভব ছিল না। ড্রেসিং-রুমের পরিবেশ পালটে দিয়েছিলেন টুটুদা।
শিলটন পাল: পুরানো কথা মনে পড়ছে। ক্লাবে আর্থিক সমস্যা চরমে। ফুটবলারদের পাশে দাঁড়িয়ে ভরসা দিয়েছিলেন টুটু বসুই। বরাবরই মুশকিল আসানের ভূমিকায় দেখেছি ওঁকে। বড় ম্যাচের আগে টুটুবাবুর পেপটক ভোলার নয়। মাথার উপর বটগাছের মতো ছিলেন তিনি।