Bartaman Logo
৫ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বইমেলার মুখে সরগরম বইপাড়া, মহালয়ার পরই ভোটাভুটি হবে গিল্ডে!

শরৎ মানেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। আর ভিড়ের নিরিখে দুর্গাপজোর পরই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব কলকাতা বইমেলা। পালাবদলের পর সরকারিভাবে বইমেলা আয়োজনের দায়িত্ব গিল্ডকে দেওয়া হলেও সহযোগিতায় রাখা হয়েছে আরও দুই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে।

বইমেলার মুখে সরগরম বইপাড়া, মহালয়ার পরই ভোটাভুটি হবে গিল্ডে!
  • ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অলকাভ নিয়োগী, বিধাননগর: শরৎ মানেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। আর ভিড়ের নিরিখে দুর্গাপজোর পরই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব কলকাতা বইমেলা। পালাবদলের পর সরকারিভাবে বইমেলা আয়োজনের দায়িত্ব গিল্ডকে দেওয়া হলেও সহযোগিতায় রাখা হয়েছে আরও দুই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে। ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট এবং ইজেডসিসি। সেই সঙ্গে পরামর্শ দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে ২৪ জনের উপদেষ্টা কমিটি। বাঙালির প্রিয় বইমেলা নিয়ে গিল্ডের সঙ্গে সেই উপদেষ্টা কমিটির ‘সংঘাত’ দেখা গিয়েছে প্রকাশ্যেই! এবার বইমেলার মুখে নতুন করে সরগরম বইপাড়া। মহালয়ার পরই ভোটাভুটি হতে চলেছে গিল্ডে। তা নিয়ে বিস্তর গুঞ্জন চলছে প্রকাশক-লেখক-পাঠক মহলে। কৌতূহল রয়েছে রাজনৈতিক মহলেরও। 

Advertisement

১৯৭৫ সালে গিল্ডের প্রতিষ্ঠা হয়। পরের বছর ১৯৭৬ সালের ৫ মার্চ কলকাতা বইমেলার সূচনা। গিল্ডের ‌প্রয়াসেই এবার আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার ৫০ বছর। বাঙালির ইতিহাস। গিল্ডের ইতিহাস। কিন্তু, ৫০-এ পালাবদল! তারপর থেকেই বইমেলা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। গত ২১ আগস্ট নবান্নে বৈঠক করে বইমেলার দায়িত্ব বন্টন নিয়ে ‘মিনিটস’ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত। বইমেলায় অংশগ্রহণ এবং স্টলের জন্য প্রতিবারের মতো এবারও গিল্ড বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। তা নিয়েই সল্টলেকে সাংবাদিক সম্মেলন করেন উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক প্রসেনজিৎ বক্সি। তিনি গিল্ডের বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। শুরু হয় সংঘাত। তবে গিল্ড কিন্ত কখনোই উপদেষ্টা কমিটির বিরুদ্ধে কোনো মন্তব্য করেনি। সরকারি গাইডলাইন মেনেই কাজ করছেন কর্তারা।
সূত্রের খবর, সংঘাত দূরে সরিয়ে একসঙ্গে বইমেলা করার জন্য নবান্নকেও হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। তাতে পরিস্থিতি কিছুটা নরম হয়েছে বলে খবর। আগামী ১২ অক্টোবর গিল্ডের এজিএম। ওই দিন ভোটাভুটি হতে চলেছে। কারণ, গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার প্রার্থী হয়েছেন অনিল আচার্য। তবে সভাপতি সুধাংশু শেখর দে’র বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়াননি। গিল্ডের আরও এক কর্তা রাজু বর্মনের বিরুদ্ধেও প্রার্থী রয়েছে। দাঁড়িয়েছেন রঞ্জন সরকার। ১২ অক্টোবর ভোটাভুটি। বর্তমানে গিল্ডের ৩৩ জন সদস্যের ভোটাধিকার রয়েছে। তাঁদের ভোটেই ঠিক হবে গিল্ডের পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক।
প্রসঙ্গত, বইমেলায় অংশগ্রহণ এবং স্টলের জন্য আবেদনের শেষ তারিখ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর। ১ অক্টোবর গিল্ড জানিয়েছে, যাঁরা এর মধ্যে আবেদন করেননি, তাঁরা অনলাইন পোর্টালে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ