‘সেন্সরশিপ কোথায় গিয়ে থামবে সেটা বড় প্রশ্ন’: শ্বেতা ত্রিপাঠী
  • ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’-র সাফল্যের পর অভিনেত্রী শ্বেতা ত্রিপাঠীর সঙ্গে মুখোমুখি এক আড্ডা। 

Advertisement

সম্প্রতি কলকাতায় মঞ্চে পারফর্ম করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
কলকাতার সঙ্গে আমার ছোটোবেলা থেকেই বিশেষ সম্পর্ক। বিশেষ করে এখানকার খাবার আমার খুব প্রিয়। ওই সময় খিচুড়ি, রোল খেয়েছি। একদিন রাতের খাবারে শুধুই ফুচকা ছিল। দারুণ উপভোগ করেছি। শহরের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী জায়গাও ঘুরে দেখেছি। সবচেয়ে ভালো লাগে এখানকার সংস্কৃতি সংরক্ষণের মানসিকতা। এই শহরের দর্শকরাও খুব বুদ্ধিদীপ্ত, আন্তরিক। মঞ্চে অভিনয়ের সময় মনে হয় দর্শকরা প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের সঙ্গে আছেন। 
‘মির্জাপুর দ্য মুভি’ বড় সাফল্য পেয়েছে। এই সময়টা কীভাবে উপভোগ করছেন?
‘মির্জাপুর’-এর সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব দর্শকদের। তাঁরা যদি কোনো কিছু পছন্দ করেন, তাহলে সেটি নিজেদের করে নেন। দর্শকদের উচ্ছ্বাস দেখে মনে হয়েছিল আমাদের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।
আপনার কেরিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট কি ‘মির্জাপুর’?
অবশ্যই এটি আমার জীবনের অন্যতম বড়ো মাইলস্টোন। তবে আমার কেরিয়ারে বিভিন্ন মাইলস্টোন এসেছে। প্রথম ছিল ‘ক্যায়া মস্ত হ্যায় লাইফ’, এরপর ‘মাসান’, তারপর ‘মির্জাপুর’, আর ‘ইয়ে কালি কালি আঁখে’। ‘মির্জাপুর’-এর যাত্রা প্রায় ন’বছরের। এই পথচলা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। 
ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সেন্সরশিপ নিয়ে বিতর্ক চলছে। এবিষয়ে আপনার কী মত?
আমার মনে হয়, সেন্সরশিপ কোথায় গিয়ে থামবে সেটা বড় প্রশ্ন। কে ঠিক করবে, কী দেখানো যাবে আর কী যাবে না? একজন দর্শক হিসেবে কোনো কিছু পছন্দ না হলে সেটি না দেখার অধিকার আমাদের আছে। কিন্তু সমস্যা হল অনেকেই কোনো কিছু অপছন্দ হলেও সেটি দেখেন। তখন সেই কনটেন্টই বেশি দর্শক পায়। তাই ভালো কনটেন্টকে সমর্থন করা এবং প্রচার করা খুব জরুরি।
কেরিয়ারের শুরুতে আপনি সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। ভবিষ্যতে পরিচালনায় আসার ইচ্ছা আছে?
আপাতত পরিচালনায় আসার পরিকল্পনা নেই। তবে ভালো নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই এবং তাঁদের গল্প দর্শকের সামনে আনতে চাই।
অভিনেতা থেকে প্রযোজক হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?
অভিনেতা হিসেবে আপনি কখনো কখনো মুডি হতে পারেন। কিন্তু প্রযোজক হিসেবে তা সম্ভব নয়। আপনাকে সবসময় সংগঠিত থাকতে হবে। কী করতে হবে, কখন করতে হবে, কীভাবে করতে হবে, সবকিছু জানতে হয়।
আপনি কখনো ট্রোলিংয়ের শিকার হয়েছেন?
অবশ্যই। আমাকে অনেক কিছু শুনতে হয়েছে। তবে আমি খুব বেশি মন্তব্য পড়ি না। মানসিক সুস্থতা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। 
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই