Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

ডিহাইড্রেশন আটকানোর, সেরা পানীয়

ভোটের উত্তাপের মাঝে পাড়ার ঠেকে এখনও ঠিক ‘এবারের গরমটা...’ জাতীয় আলোচনা পাত্তা পাচ্ছে না।

ডিহাইড্রেশন আটকানোর, সেরা পানীয়
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০৪
Prefer us on Google

ভোটের উত্তাপের মাঝে পাড়ার ঠেকে এখনও ঠিক ‘এবারের গরমটা...’ জাতীয় আলোচনা পাত্তা পাচ্ছে না। তবে যাঁরা একটু বেলা বাড়লে বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন, তাঁরা টের পাচ্ছেন, এই মধ্য বৈশাখেই কতটা তেজিয়ান সূর্য। এই তো গত সপ্তাহে দেশের সবচেয়ে তপ্ত ১০টি এলাকার মধ্যে আটটিই ছিল আমাদের রাজ্যে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এই বছর ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে সবচেয়ে তপ্ত গ্রীষ্মকালের সাক্ষী থাকতে চলেছে দেশ। 

Advertisement

কিন্তু আমজনতার কি আর তাই বলে ঘরে বসে থাকার উপায় আছে? কাজে তো বেরোতেই হবে। তাই প্রয়োজন শরীরের যত্ন নেওয়ার। দেহ যাতে জলশূন্য না হয়, তা খেয়াল রাখা আবশ্যক। ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে আড়াই থেকে তিন লিটার জল (পূর্ণ বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে) খেতেই হবে। আর যাঁরা রোদে কাজ করেন, তাঁদের দিনে চার থেকে পাঁচ লিটার। এর পাশাপাশি ঘোল, লেবুর জল, ডাবের জল, ওআরএস, বাতাসা ভেজানো জলও শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তবে কারও ডায়াবেটিস, ব্লাড সুগার বা কিডনির সমস্যা থাকলে কিছু নিয়ম মেনে চলা দরকার।
এর বাইরে শরীরকে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচাতে আরও কিছু পানীয় ঘরেই বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে চটজলদি।      
 গোন্দ কাঁটিরা ও তরমুজের শরবত: 
গোন্দ কাঁটিরা এক ধরনের গাছের আঠা। দেখতে তালমিছরির মতো। আধ চামুচ গোন্দ কাঁটিরা রাতে জলে ভিজিয়ে রাখুন। তা পরের দিন ফুলে উঠবে। তরমুজ ছোটো ছোটো করে কেটে নিন। এবার মিক্সার গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিয়ে ছেঁকে রস বার করে নিতে হবে। আলাদা করে জিরে, মৌরি, লবঙ্গ ও গোলমরিচ হালকা ভেজে তাও গুঁড়ো করে নিন। এবার একটি গ্লাসে তরমুজের রস, প্রস্তুত মশলার গুঁড়ো, বিট লবণ এবং তালমিছরি বা চিনি (ঐচ্ছিক) মিশিয়ে নিন। সঙ্গে বরফ কুচি ও ভেজানো গোন্দ কাঁটিরা এক চামচ দিয়ে ভালো করে নেড়ে উপর দিয়ে ইচ্ছে হলে পুদিনা পাতা দিয়ে পরিবেশন করুন। ডায়াবেটিসের রোগী চিনি বা তালমিছরি বাদ দিয়ে এটি খেতে পারেন। 
 ছাতুর ঘোল:
চিয়া সিডের মতোই সাবজা সিড (এক ধরনের তুলসীর বীজ) বাজারে এখন পাওয়া যায়। এটি এক চামচ রাতে জলে ভিজিয়ে রাখুন। একটি মিক্সার গ্রাইন্ডারে ছাতু, টক দই, তালমিছরি (ঐচ্ছিক), ভাজা জিরে গুঁড়ো, পিঙ্ক সল্ট, গোলমরিচ গুঁড়ো ও ড্রাই রোস্টেড পুদিনা পাউডার ও জল মিশিয়ে তা ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। তাতে ঠান্ডা জল বা বরফ ও ভেজানো সাবজা সিড মিশিয়ে তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে ছাতুর ঘোল। ছাতুতে যেমন প্রোটিন আছে, তেমনই পুদিনা পাতা ও সাবজা সিড দেহ ঠান্ডা রাখে। আর গরমে পেটের সমস্যা আটকাতে সাহায্য করে টক দই। তাতে আছে প্রোবায়োটিক।
লিখেছেন সায়ন মজুমদার

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ