নয়াদিল্লি: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্টে ২২ রানে হারের আপশোস কিছুতেই যাচ্ছে না ভারতীয় ক্রিকেট মহলের। চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে গিয়ে প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন যেমন ব্যাটারদের কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন। তিনি বলেছেন, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে আমরা ভালো ব্যাট করতে পারিনি। যে কোনও টেস্টে শেষ দিনে ব্যাট করা কঠিন। তা সত্ত্বেও জাদেজা, বুমরাহ, সিরাজরা দুর্দান্ত লড়ল। এর জন্য গর্বিত। ব্যর্থতার মধ্যেও এটা দারুণ ইতিবাচক দিক। তবে টপ অর্ডার ব্যাটাররা যদি একটু দায়িত্ব নিয়ে খেলত, তাহলে লর্ডসে শেষ হাসি হাসতাম আমরাই। কোনও বড় পার্টনারশিপ গড়ে ওঠেনি। যশস্বী জয়সওয়ালের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট আমাকে ভীষণ হতাশ করেছে। ব্যাটিং অর্ডারে তিন নম্বর পজিশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু করুণ নায়ার তার মর্যাদা রাখতে পারেনি।’
জাড্ডুর সাহসী ব্যাটিংয়ের প্রশংসা শোনা গিয়েছে আজ্জুর মুখে, ‘টেল- এন্ডারদের নিয়ে ও যেভাবে মাটি কামড়ে লড়াই করেছে, তা বাহবা জানানোর মতোই। তবে আমার ধারণা, রুট এবং বশির যখন বল করছিল, তখন ও আর একটু আক্রমণাত্মক খেলে ১৫-২০ রান যোগ করতে পারলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতো।’
প্রায় একই মত পোষণ করেছেন অনিল কুম্বলে। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা কোচের কথায়, ‘সিরাজকে ওভাবে আউট হতে দেখে ১৯৯৯ সালের চেন্নাইয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্টের কথা মনে পড়ছিল। ওই টেস্টে শ্রীনাথ একইভাবে আউট হয়েছিল সাকলিন মুস্তাকের বলে। আমরা হেরেছিলাম ১২ রানে। আর লর্ডসে ভারত হারল ২২ রানে। জাদেজার চোয়ালচাপা লড়াই বড় প্রাপ্তি। তবে আমরাও জিততে পারতাম। তার জন্য জাড্ডুকেই একটু ঝুঁকি নিতে হতো। দরকার ছিল বশির ও রুটের ওভারে আক্রমণাত্মক খেলা।’
এদিকে, সুনীল গভাসকর রাখঢাক না করে ঋষভ পন্থকে তুলোধোনা করেছেন। তাঁর যুক্তি, ‘প্রথম ইনিংসে আমরা ১০০ রান লিড নিতে পারতাম। কিন্তু ঋষভের রান আউট মোড় ঘুরিয়ে দিল।’ একই সঙ্গে অতিরিক্ত রান দেওয়ার রোগ সারানোর পরামর্শও দিয়েছেন সানি।