মুম্বই: অতিরিক্ত বোলারের পরিকল্পনায় সেমি-ফাইনালে বাদ পড়তে হয় হারলিন দেওলকে। আর সেই সিদ্ধান্তটাই ভারতকে বিশ্বকাপের খেতাবি লড়াইয়ে পৌঁছে দেবে কে জানত? দ্রুত দুই ওপেনার ফিরে যাওয়ার পর স্বপ্নভঙ্গের প্রহর গুনছিল ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়াম। প্রবল চাপের মুখে ত্রাতা হয়ে উঠলেন তিনে নামা জেমাইমা রডরিগেজ। অথচ তাঁর চেনা পজিশন চার। হারলিন না থাকায় আচমকা তিনে তুলে আনা হয় তাঁকে। দলকে ফাইনালে তোলার পর ম্যাচের সেরা বলছিলেন, ‘আমি তো জানতামই না যে, তিনে নামতে হবে। তাই স্নানে গিয়েছিলাম। ক্রিজে যাওয়ার পাঁচ মিনিট আগে জানতে পারি, আমায় নামতে হবে।’ তিনি আরও বলছিলেন, ‘সংকল্প করেছিলাম দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়ব। সেটা পেরেছি।’ সত্যিই, জেমাইমার এই ঘটনা ১৯৮৩ বিশ্বকাপের স্মৃতি ফিরিয়ে দিল। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল টিম ইন্ডিয়া। তখন কপিল দেব স্নান করছেন। বাথরুম থেকে বেরিয়ে কোনওরকমে গা-হাত-পা মুছে ক্রিজে যান তিনি। তারপর সেই অবিশ্বাস্য ১৭৫। বাকিটা ইতিহাস।



