নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিটফান্ড সংস্থা রোজভ্যালির প্রতারিতদের টাকা ফেরানোর জন্য প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটি বা এডিসি তৈরি করেছিল হাইকোর্ট। সেই কমিটির ভূমিকাই এবার প্রশ্নের মুখে। আদালতের নির্দেশে তৈরি হওয়া সেই কমিটির কার্যকলাপ খতিয়ে দেখতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
কমিটির যাবতীয় নথি দেখে শুক্রবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি ঋতব্রত মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চর নির্দেশ, ইডি এই সপ্তাহের মধ্যে রোজভ্যালির যাবতীয় নথি সিবিআইকে দেবে। রোজভ্যালির মূল মামলার তদন্ত কতদূর এগিয়েছে, নথি পাওয়ার একসপ্তাহের মধ্যেই তা জানাতে হবে সিবিআইকে। পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে এই আর্থিক তছরুপের অভিযোগের তদন্ত করে সিবিআইকে প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে। শুনানিতে বিচারপতি ভরদ্বাজ প্রশ্ন তোলেন, প্রতারিতদের তরফে ৩১ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। অন্তত এক কোটি মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে। আপাতত ৭৪ হাজার মানুষকে অর্থ ফেরানোর পরিস্থিতি রয়েছে। ৫৩১ কোটি টাকা হাতে আছে। তারপরেও টাকা মেটানো হয়নি কেন? অন্তত ৩০ শতাংশ লোকের টাকা মেটানোর ব্যাবস্থা করুন। এর বাইরে যাবতীয় সম্পত্তি হাতে আছে। সেগুলো বিক্রি না করে দু’জন লোককে যুক্ত করে হোটেল ব্যবসা চালানো হচ্ছে। ইডি এই সুযোগ করে দিয়েছে। কমিটির নির্দেশেই তারা হোটেল ব্যবসা চালাচ্ছে। এরপরই আদালত জানিয়ে দেয় হাইকোর্ট যে লক্ষ্যে কমিটি গড়েছিল, বাস্তবে সেটা হয়নি। আমানতকারীর আইনজীবী অরিন্দম দাস বলেন, এডিসি’র কার্যকলাপের জন্য আমানতকারীদের স্বার্থ বিঘ্নিত হচ্ছে।