Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

ইউএপিএ আইনেও অভিযুক্ত জামিন পেতে পারেন, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের, উমর খালিদ মামলায় নিজেদের রায় নিয়েই প্রশ্ন আদালতের!

কঠোরতম ইউএপিএ আইনেও অভিযুক্ত জামিন পেতে পারেন। মাদক চোরা চালান এবং জঙ্গিদের অর্থ সাহায্যে অভিযুক্ত জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা সৈয়দ ইফতিকার আন্দ্রেবিকে জামিন দিয়ে সোমবার এই বার্তাই দিল সুপ্রিম কোর্ট।

ইউএপিএ আইনেও অভিযুক্ত জামিন পেতে পারেন, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের, উমর খালিদ মামলায় নিজেদের রায় নিয়েই প্রশ্ন আদালতের!
  • ১৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: কঠোরতম ইউএপিএ আইনেও অভিযুক্ত জামিন পেতে পারেন। মাদক চোরা চালান এবং জঙ্গিদের অর্থ সাহায্যে অভিযুক্ত জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা সৈয়দ ইফতিকার আন্দ্রেবিকে জামিন দিয়ে সোমবার এই বার্তাই দিল সুপ্রিম কোর্ট। পাসপোর্ট জমা রাখা এবং প্রতি ১৫ দিন অন্তর স্থানীয় থানায় হাজিরার শর্তে আন্দ্রেবির জামিন মঞ্জুর করেছে বিচারপতি বি ভি নাগরত্না এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুয়ানকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ। এদিন তাৎপর্যপূর্ণভাবে আইনের প্রাথমিক পাঠ স্মরণ করিয়ে বেঞ্চের মন্তব্য, ‘জামিন দেওয়াটাই নিয়ম। জেল ব্যতিক্রম।’ ২০২১ সালে ভারত সরকার বনাম কে এ নাজিব মামলায় এক ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, দীর্ঘদিন বিনা বিচারে কাউকে আটকে রাখা যায় না। ইউএপিএ-র মতো কঠোর আইনে মামলার ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। এদিন আন্দ্রেবিকে জামিন দিতে গিয়ে বিচারপতিরা সেই কে এ নাজিব মামলার রায়ের উল্লেখ করেছেন। এই প্রসঙ্গেই উঠে আসে দিল্লি দাঙ্গায় অভিযুক্ত প্রাক্তন ছাত্রনেতা উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের মামলার প্রসঙ্গ। গত জানুয়ারিতেই ইউএপিএ-তে মামলা থাকায় উমর এবং ইমামের জামিন খারিজ করে দেয় বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়াকে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের দুই সদস্যের বেঞ্চ। সোমবার বিচারপতি বি ভি নাগরত্না এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়া জানিয়েছেন খালিদদের ক্ষেত্রে কে এ নাজিব মামলার রায় যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। 

Advertisement

সৈয়দ ইফতিকার আন্দ্রেবির মামলাটি ছ’বছরের পুরানো। এনআইএ জানিয়েছে, ২০২০ সালের ১১ জুন হান্দওয়ার কাইরো সেতুর কাছে আবদুল মোমিন পীরের গাড়ি থেকে নগদ ২০ লক্ষ টাকা এবং দু’কেজি হেরোইন বাজেয়াপ্ত করে। সেই মামলার তদন্তে নেমে আন্দ্রেবিকে গ্রেফতার করা হয়। এনআইএ-এর দাবি, সে আন্তর্জাতিক মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সে মাদক পাচার করত। ২০১৬-১৭ সালে আন্দ্রেবি বেশ কয়েকবার পাকিস্তানে গিয়ে লস্কর-ই-তোইবা, হিজবুল মুজাহিদিনের অপারেটিভদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। মাদক বিক্রির টাকা সে জঙ্গিদের কাছে পৌঁছে দিত। জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্ট তার জামিনের আবেদন খারিজ করলে সে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।  

সম্পর্কিত সংবাদ