Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘ঠাকুরবাড়ি কারও সম্পত্তি নয়’, ঠাকুরনগরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির মন্তব্যে পাল্টা আক্রমণ তৃণমূল-বিজেপির

রবিবার ঠাকুরনগরে সত্যাগ্রহ মঞ্চ থেকে তৃণমূল ও বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।

‘ঠাকুরবাড়ি কারও সম্পত্তি নয়’, ঠাকুরনগরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির মন্তব্যে পাল্টা আক্রমণ তৃণমূল-বিজেপির
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: রবিবার ঠাকুরনগরে সত্যাগ্রহ মঞ্চ থেকে তৃণমূল ও বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। সেই সঙ্গে আগামী দিনে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে রাহুল গান্ধী আসতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল ও বিজেপি মতুয়াদের নিয়ে কেবল রাজনীতিই করছে বলে অভিযোগ এনে তিনি বলেন, ‘ঠাকুরবাড়ি কারও বাবার নয়।’ যদিও তাঁর মন্তব্যকেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে পাল্টা কটাক্ষ করেছে তৃণমূল ও বিজেপি।

Advertisement

মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার দাবিতে রবিবার সত্যাগ্রহ কর্মসূচি পালন করে কংগ্রেস। ঠাকুরনগরে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে এই কর্মসূচিতে শুভঙ্করবাবু ছাড়াও অংশ নেন অমিতাভ চক্রবর্তী, ইন্দ্রাণী দত্ত চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ কংগ্রেস নেতারা। কয়েকদিন আগে ঠাকুরবাড়িতে এসে বাধার মুখে পড়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা গ্রামীণ কংগ্রেসের সভানেত্রী ইন্দ্রাণীদেবী। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনেই শুভঙ্করবাবু ওই মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, ‘কংগ্রেস নাগরিকত্ব দিয়েছিল বলেই ঠাকুরবাড়ির সদস্যরা সাংসদ-বিধায়ক হতে পেরেছেন।’
কংগ্রেসের এই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে বিজেপির সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘কংগ্রেস ৭০ বছর সিটিজেনশিপের নামে ভাঁওতাবাজি করে এসেছে। ভোটের আগে আবার ভাঁওতাবাজি শুরু করেছে।’ তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতা ঠাকুর বলেন, ‘ঠাকুরবাড়ি দেবোত্তর সম্পত্তি। যে কেউ আসতে পারেন। তবে এতদিন তারা কেন আসেননি? ভোট আসছে বলেই কংগ্রেস এখন এসব বলছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ