দাম্পত্য কলহ থেকে ভয়াবহ পরিণতি! একই পরিবারের ৭ জনকে খুন করে প্রমান লোপাটের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৫৩
Prefer us on Google

বেঙ্গালুরু, ৬ নভেম্বর:  ভয়াবহ কাণ্ড বেঙ্গালুরুতে। নিজের স্ত্রী সহ সাত জনকে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম ইন্দুশেখর (৫২)। সে পেশায় একজন ক্যাবচালক। দাম্পত্য জীবনে অশান্তির জেরে গোটা পরিবারকে খুন করে অভিযুক্ত। তারপর তাঁদের দেহগুলি টুকরো টুকরো করে নন্দী হিলসের গভীর জঙ্গলে ফেলে দিয়ে আসে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ২০ বছর আগে শেখরের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সুনীতার। স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বাপের বাড়ির যোগাযোগ নিয়ে তীব্র আপত্তি ছিল তার। জেরেই অশান্তি লেগে থাকত তাঁদের মধ্যে। সেই কারণেই এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে শেখরের স্ত্রী সুনীতা, শাশুড়ি রূপাবতী, সুনীতার দুই ভাই শিবকুমার ও শঙ্কর, তাঁদের দুই স্ত্রী দিব্যা ও নলিনী এবং শিবকুমারের সাত বছরের ছেলে পুনীত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখর দু’দিন ধরে সুনীতার পরিবারের সদস্যদের নিজের বাড়িতে ডাকে। তারপর ভারী পাথর দিয়ে সবাইকে খুন করে বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে  নলিনীর মা মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে থানায় ডায়েরি করেন। তদন্তে শেখরকে সন্দেহ হয় পুলিশের। এরপরই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সাতজন খুনের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। পরে পুলিশ দেহগুলির খোঁজে নন্দী হিলসে যায়। কিন্তু পুনীতের দেহ ছাড়া বাকিদের দেহ এখনও পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনায় শেখরের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। বাকি দেহগুলি উদ্ধারের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দলও গঠন করা হয়েছে। এই ঘটনায় শেখরের সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত ছিল কিনা সেই বিষয়েও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।