সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপ থানার বেসরকারি এবিএল সংস্থার সমবায় সমিতির নির্বাচনের মনোনয়নপত্র তোলাকে কেন্দ্র করে বুধবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। সিপিএম ও কংগ্রেসকে মনোনয়ন তুলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সিপিএম ও কংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূল বহিরাগতদের নিয়ে এসে তাদের হুমকি দেয়। পাশাপাশি মনোনয়ন তুলতেও বাধা দিয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অশান্ত করতে সিপিএম ও কংগ্রেস বহিরাগতদের নিয়ে এসেছিল।
সমবায় সমিতির সূত্রে জানা গিয়েছে, এবিএল কো-অপারেটিভ নির্বাচন ২০২০ সালে হয়েছিল। সেইসময় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। এবারে নির্বাচনে ১৫টি আসন রয়েছে। মোট ভোটার রয়েছে ৬৫জন। ৫ বছর পরে ফের নির্বাচনের জন্য এদিন মনোনয়ন তোলার প্রথম দিন ছিল। সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন সিটু ও কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিইউসির নেতা-কর্মীরা যৌথভাবে এদিন মনোনয়ন তুলতে এসেছিলেন। তাঁদের মনোনয়ন তুলতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এবিএলের সিটু নেতা নবারুণ দে বলেন, আমাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করতে দেবে না বলে শাসকদল বহিরাগতদের নিয়ে এসেছিল। আমরা অশান্তি এড়িয়ে গিয়েছি। প্রশাসনের দ্বারস্থ হব। জেলার তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতা দীপঙ্কর লাহা বলেন, তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। গতবারের নির্বাচনে আমরা জয়ী হয়েছিলাম। আমরা কোনওরকম অশান্তি চাই না। সিপিএম ও কংগ্রেস বহিরাগতদের নিয়ে এসেছিল। ঘটনাস্থলে পুলিস সক্রিয় ছিল। ওই সমবায়ের কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিইউসির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য বলেন, সারা রাজ্যের মতো দুর্গাপুরেও সন্ত্রাস চলছে। বিরোধীদের মনোনয়নপত্র দাখিল করতে দেওয়া হচ্ছে না সমবায় নির্বাচনেও। আমরা আইনের সাহায্য চেয়ে ছিলাম। এখনও তা পাইনি।
সমবায় সমিতির ম্যানেজার রহমান আলি বলেন, এদিন সবকিছুই শান্তিপূর্ণ ছিল। এসিপি(দুর্গাপুর) সুবীর রায় বলেন, সেখানে পুলিস মোতায়েন ছিল। সম্পূর্ণ বিষয়টি নজরে রাখা হয়েছে।