


সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: গ্রাম পঞ্চায়েতের ভিতরে থাকা সরকারি বিভিন্ন নথিপত্র পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রধান ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। যদিও বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তাঁরা। ঘটনাটি ঘটেছে পাথরপ্রতিমার গোপালনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গত ৪ মে থেকে গোপালনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিস বন্ধ ছিল। বুধবার হঠাৎ অফিস খোলা হয়। বিকেলে গ্রাম পঞ্চায়েতের নলকূপে গ্রামবাসীরা জল আনতে এসে ধোঁয়া বের হতে দেখেন। তখনই তাঁদের সন্দেহ হয়। ঘটনা জানাজানি হতেই গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে বহু মানুষ এসে ভিড় জমান। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েতের ভিতরে থাকা বিভিন্ন সরকারি নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। গ্রামের বাসিন্দা সবুজবরণ মিশ্র বলেন, ‘একজনের সহযোগিতা নিয়ে প্রধানের স্বামী বিভিন্ন সরকারি নথিপত্র পুড়িয়ে দিচ্ছিলেন। গ্রামবাসীরা হাতেনাতে ধরে ফেলেছেন। নথিপত্র পোড়ানোর সময় রাস্তায় তিনজন পাহারায় ছিলেন। লুকিয়ে অফিস খুলে এই নথি পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল।’ পঞ্চায়েতের প্রধান অনুরাধা দাস বলেন, ‘বেশ কিছুদিন হয়ে গেল পঞ্চায়েত অফিস খোলা হয়নি। এদিন অফিসে এসে দেখি বারান্দায় চায়ের কাপ সহ অপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্র পড়েছিল। এক গ্রামবাসীকে সেগুলি পুড়িয়ে দিতে বলি। কিন্তু কোনো সরকারি নথিপত্র ও ফাইল পোড়ানো হয়নি। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।’