Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মধ্যমগ্রামে হোমের তালা ভেঙে পালালেন দশ মহিলা

সোমবার রাতে একটি বেসরকারি হোমের গেটের তালা ভেঙে পাললেন ১০ মহিলা আবাসিক। যদিও রাতভর তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ।

মধ্যমগ্রামে হোমের তালা ভেঙে পালালেন দশ মহিলা
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সোমবার রাতে একটি বেসরকারি হোমের গেটের তালা ভেঙে পাললেন ১০ মহিলা আবাসিক। যদিও রাতভর তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া আবাসিকদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ও তিনজন ভারতীয়। হোমের অভিযোগের ভিত্তিতে আটজন মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর নাবালিকা দু’জনকে ফের আদালতের নির্দেশে হোমে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইন সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে। এই ঘটনায় হোমের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামের দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় বহু বছর ধরেই রয়েছে নিজলয় নামে একটি বেসরকারি হোম। এখানে মূলত নাবালিকা এবং অভিযুক্ত মহিলারা থাকেন। সোমবার রাত ১২টার সময়ে হোমের ১০ জন আবাসিক গেটের তালা ভেঙে পালিয়ে যান। হোমের দু’জন নিরাপত্তাকর্মী অবশ্য তাঁদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু লাভ হয়নি। তাঁদের মারধর করে শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যান ১০ আবাসিক। খবর পেয়ে সোমবার রাতভর তল্লাশি চালায় মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। শেষে মধ্যমগ্রামের গঙ্গানগর, কাঁটাখাল সহ সংলগ্ন এলাকা থেকে পুলিশ পালিয়ে যাওয়া ১০ আবাসিককে উদ্ধার করে। 
পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই হোম কর্তৃপক্ষের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ ছিল আবাসিকদের। সেই জন্যই তাঁরা হোম থেকে পালানোর পরিকল্পনা করেন। এজন্য সোমবার তাঁরা চূড়ান্ত প্রস্তুতিও নেন। বিকেল থেকেই হোম কর্তৃপক্ষকে বারেবারে ‘চাপ’ দিতে থাকেন ছেড়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তাতে মত দেয়নি কর্তৃপক্ষ। এরপর ১০ আবাসিক ঠিক করেন তালা ভেঙে পালাবেন। সেই মতো গভীর রাতে হোমের নিরাপত্তারক্ষীকে আটকে রেখে তাঁরা তালা ভেঙে পালিয়ে যান।
অভিযোগ, হোমের নিরাপত্তার গাফিলতির কারণেই রাতের অন্ধকারে একসঙ্গে ১০ জন আবাসিক পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলেন। এই প্রসঙ্গে বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, হোম কর্তৃপক্ষের অভিযোগের পরে উদ্ধার হওয়া আবাসিকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে হোমের নিরাপত্তা সহ অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে ওই হোমের সুপার বর্ণালি নন্দীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা ধরেননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ