সংবাদদাতা, বজবজ: চলতি বর্ষাতেও মহেশতলা বাটার ১০টি ওয়ার্ডে রাস্তা, অলিগলি থেকে ঘরের অন্দরে জমেছে জল। এই যন্ত্রণার হাত থেকে এবারও রেহাই পাচ্ছেন না পুরবাসীরা।
সংবাদদাতা, বজবজ: চলতি বর্ষাতেও মহেশতলা বাটার ১০টি ওয়ার্ডে রাস্তা, অলিগলি থেকে ঘরের অন্দরে জমেছে জল। এই যন্ত্রণার হাত থেকে এবারও রেহাই পাচ্ছেন না পুরবাসীরা।
জানিয়েছেন মহেশতলার তৃণমূল বিধায়ক শুভাশিস দাস। তিনি বলেন, নতুন সরকারের অর্থদপ্তরের কাছে মীরপুর খাল সংস্কার সংক্রান্ত ফাইল ছেড়ে দেওয়ার জন্য তদ্বির করা হয়েছে। কিন্তু ফাইল এখনও ছাড়া হয়নি। তাই বর্ষায় মীরপুর খাল সংস্কারের কোনো আশা নেই। স্বাভাবিকভাবে জল জমা যন্ত্রণারও সমাধান হচ্ছে না। এবারও দুর্ভোগ ও কষ্ট পোয়াতে হচ্ছে আমজনতাকে। শুভাশিসবাবু অবশ্য এও জানিয়ে দিয়েছেন, একটা নতুন সরকার এসেছে। বয়স তিনমাস। সেই সরকারের মন্ত্রীদের দপ্তর বুঝতে গেলেও কম করে ছ’মাস সময় লাগবে। তাই কিছুটা সময় তো দিতেই হবে। তবে জানতে পেরেছি যে, মীরপুর খাল সংস্কারে আগের প্রস্তাব সংশোধন করে পূর্তদপ্তরের রেটে করা যায় কি না, অর্থদপ্তর সেই সুপারিশ করেছে। মহেশতলা পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডের ভিতর ‘হার্ট অব দ্য টাউন’ হল বাটা ও সংলগ্ন ২৬ থেকে ৩৫ নম্বর, এই ১০টি ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডগুলির জল বের হয় মীরপুর খাল দিয়ে। তার প্রবাহ মুখের খাত নানা কায়দায় দখল হয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় জন্য পলি জমে অগভীর হয়ে গিয়েছে। ফলে জল বের হতে পারে না। আসলে এই খাল সংস্কারের প্রস্তাব বিগত সরকারের আমলে সেচদপ্তর থেকে অর্থদপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছিল। তা নিয়ে টালবাহানা চলছিল। এর ভিতর রাজ্য সরকারে পরিবর্তন হওয়ায় তা আরও থমকে গিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কথায়, ঘরে ঘরে জল জমে রয়েছে। জল জমে পচা দুর্গন্ধ বের হয়। আত্মীয় পরিজনদের আসতে বলতে লজ্জা করে। শুভাশিসবাবু এই অবস্থার কথা মানেন। তাঁর দাবি, আমাদের সরকারের সময় ওল্ড মনিখাল এবং বেগোর খাল কাটা শুরু হয়েছিল। তাতে ওই সব খাল সংলগ্ন একাধিক ওয়ার্ডে জল আর জমছে না। নিজস্ব চিত্র