নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা পরিচয় দিয়ে চাকরির নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে জলপাইগুড়ির এক যুবকের বিরুদ্ধে। কোতোয়ালি থানার সেবাগ্রাম এলাকার বাসিন্দা ওই যুবককে বুধবার জলপাইগুড়িতে হাতেনাতে পাকড়াও করেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের কাছ থেকে ওই যুবক চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে এদিন রাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় কোতোয়ালি থানায়। অভিযুক্ত যুবককে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ দায়ের হতেই রাতে পুলিস প্রীতম ঘোষ নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধৃত যুবক। দায়ের হওয়া অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন জেলার পুলিস সুপার খণ্ডবহালে উমেশ গণপত।
Advertisement
এদিকে, অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে দল বা টিএমসিপি’র কোনও যোগ নেই বলে এদিন জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ। তিনি বলেন, ওই যুবক একসময় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যুক্ত ছিল। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে আগেও নানারকম অভিযোগ সামনে এসেছে। সেকারণে ওই যুবকের বিরুদ্ধে টিএমসিপি’র রাজ্য সভাপতিকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। সেইমতো তাঁকে অনেক আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন তৃণমূল বা দলের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে ওই যুবকের কোনও যোগ নেই। তাঁর বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে পুলিসকে। কোচবিহারের বামনহাটের বাসিন্দা অমিত সূত্রধর নামে এক ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক নিজেকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ইঞ্জিনিয়ারিং সেলের চিফ কো-অর্ডিনেটর বলে পরিচয় দিয়ে বহু ছেলেমেয়েকে সরকারি চাকরি টোপ দেন। তারপর যাঁর কাছ থেকে যেমন পেরেছেন, টাকা হাতিয়ে ভুয়ো নিয়োগপত্র দিয়েছেন। ধরা পড়ে যাওয়ায় টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে টালবাহানা করছিলেন ওই যুবক। তিনি নিজে ওই যুবককে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে এদিন দাবি করেন অমিত। তাঁর এক বন্ধু এবং ওই বন্ধুর দাদা মিলে ওই যুবককে ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে দাবি তাঁর। সবমিলিয়ে অভিযুক্ত ওই যুবক ১০ লক্ষ টাকারও বেশি হাতিয়েছেন বলে দাবি প্রতারিতদের।
অভিযোগ, অভিযুক্ত ওই যুবক তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ছবি দেখিয়ে নিজেকে ‘কেউকেটা’ প্রমাণ করার চেষ্টা করতেন। তারপর দলের নেতা-নেত্রীদের নাম ভাঙিয়ে চাকরির নামে আদায় করতেন মোটা টাকা।
এদিন জলপাইগুড়ি থানা চত্বরে দাঁড়িয়ে অমিত সূত্রধর বলেন, অভিযুক্ত ওই যুবক আমাকে গ্রুপ-ডি কিংবা বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে চাকরির টোপ দেন। জানায়, মাসে ১৮-১৯ হাজার টাকা বেতন হবে। এই বলে আমার কাছ থেকে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। তারপর ভুয়ো নিয়োগপত্র দেন। ধরে ফেলতেই বলেন, তিনি আমার জন্য অন্য চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন। কিন্তু আমি টাকা ফেরত চাইলে ওই যুবক নানাভাবে ঘোরাতে থাকেন। তাঁর দাবি, চাকরির জন্য দু’টি ছেলে আছে, এই টোপ দিয়ে এদিন ডাকিয়ে আনা হয় অভিযুক্ত ওই যুবককে। তারপর তাঁকে ধরে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা ওই যুবককে যে টাকা দিয়েছি, তা যাতে ফেরত পাই, পুলিস প্রশাসনের কাছে সেই আবেদন জানিয়েছি।
অভিযোগ, অভিযুক্ত ওই যুবক তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ছবি দেখিয়ে নিজেকে ‘কেউকেটা’ প্রমাণ করার চেষ্টা করতেন। তারপর দলের নেতা-নেত্রীদের নাম ভাঙিয়ে চাকরির নামে আদায় করতেন মোটা টাকা।
এদিন জলপাইগুড়ি থানা চত্বরে দাঁড়িয়ে অমিত সূত্রধর বলেন, অভিযুক্ত ওই যুবক আমাকে গ্রুপ-ডি কিংবা বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে চাকরির টোপ দেন। জানায়, মাসে ১৮-১৯ হাজার টাকা বেতন হবে। এই বলে আমার কাছ থেকে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। তারপর ভুয়ো নিয়োগপত্র দেন। ধরে ফেলতেই বলেন, তিনি আমার জন্য অন্য চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন। কিন্তু আমি টাকা ফেরত চাইলে ওই যুবক নানাভাবে ঘোরাতে থাকেন। তাঁর দাবি, চাকরির জন্য দু’টি ছেলে আছে, এই টোপ দিয়ে এদিন ডাকিয়ে আনা হয় অভিযুক্ত ওই যুবককে। তারপর তাঁকে ধরে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা ওই যুবককে যে টাকা দিয়েছি, তা যাতে ফেরত পাই, পুলিস প্রশাসনের কাছে সেই আবেদন জানিয়েছি।



