Bartaman Logo
২১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

১৫ দিনের মধ্যে মিরিকে অস্থায়ী সেতু, হারানো নথিপত্র উদ্ধারে হবে বিশেষ ক্যাম্প, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বন্যা পরিস্থিতি, ভূমিধসের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কার্যত বেহাল দশা উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং, ডুয়ার্স-সহ উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষজন।

১৫ দিনের মধ্যে মিরিকে অস্থায়ী সেতু, হারানো নথিপত্র উদ্ধারে হবে বিশেষ ক্যাম্প, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
  • ৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:১০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বন্যা পরিস্থিতি, ভূমিধসের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কার্যত বেহাল দশা উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং, ডুয়ার্স-সহ উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষজন। এই পরিস্থিতিতে আজ, মঙ্গলবার মিরিকে পৌঁছন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলির পরিদর্শনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত দুধিয়া ব্রিজও দেখতে যান মমতা। সেখানে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, মিরিকের দুধিয়ায় আগামী ১৫ দিনের মধ্যে একটি অস্থায়ী সেতু তৈরি করে দেওয়া হবে। এর ফলে আপাতত যোগাযোগ ব্যবস্থা ফের চালু করা সম্ভব হবে। প্রথমে প্রশাসনিক আধিকারিকেরা জানিয়েছিলেন, অস্থায়ী সেতু তৈরি করতে সময় লাগবে অন্তত এক মাস। কিন্তু পরে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সেই সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়। এদিন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের তিনি নির্দেশ দিয়েছেন ধসে ভেঙে যাওয়া রাস্তাগুলিও দ্রুত মেরামত করতে হবে। মুখমন্ত্রী জানিয়েছেন, অস্থায়ী সেতুর পাশাপাশি এরটি স্থায়ী সেতু তৈরির কাজও শুরু হবে। যার জন্য সময় লাগবে প্রায় ১ বছর। এই সেতু তৈরির জন্য রাজ্যের ব্যয় হবে প্রায় ৫৪ কোটি টাকা। আজ দুপুরে মিরিকের দুধিয়ার ত্রাণশিবিরে পৌঁছে সেখানকার মানুষজনের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্গতদের আশ্বস্ত করে মমতা বলেন, যাঁদের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে সেগুলি ফের তৈরি করে দেওয়া হবে। দুর্গতরা যতদিন না নিজেদের ঘরে ফিরতে পারছেন ততদিন কমিউনিটি কিচেন চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাঁদের নথিপত্র নষ্ট হয়ে গিয়েছে তাঁদের জন্য বিশেষ ক্যাম্প চালু করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত রবিবার থেকেই মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছিলেন। এরপর সোমবার দুপুরে নিজে উত্তরবঙ্গে পৌঁছে যান। প্রথমে হাসিমারা, পরে নাগরাকাটায় দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। আপাতত ধস এবং বন্যায় উত্তরবঙ্গ থেকে ২৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ইতিমধ্যেই মৃতদের পরিবারকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরিবারের এক জনকে হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ