Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

তাপমাত্রার হেরফেরে বাড়ছে সর্দি, জ্বর, মুড়ি-মুড়কির মতো অ্যান্টিবায়োটিকে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি

এযেন দিনে গরম, রাতে ঠান্ডা! দিনের বেলা সূর্য্যি মামা ঘাম ঝরাচ্ছেন তো রাত গভীর হলেই নামছে পারদ। রাতে বিছানায় শুলেই একটু মোটা চাদর গায়ে টেনে নিতে হচ্ছে।

তাপমাত্রার হেরফেরে বাড়ছে সর্দি, জ্বর, মুড়ি-মুড়কির মতো অ্যান্টিবায়োটিকে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি
  • ১০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:১১
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ডোমকল: এযেন দিনে গরম, রাতে ঠান্ডা! দিনের বেলা সূর্য্যি মামা ঘাম ঝরাচ্ছেন তো রাত গভীর হলেই নামছে পারদ। রাতে বিছানায় শুলেই একটু মোটা চাদর গায়ে টেনে নিতে হচ্ছে।  সপ্তাহখানেক ধরে ডোমকল মহকুমা জুড়ে তাপমাত্রার এই ওঠানামার জেরেই বাড়ছে সর্দি, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহকুমার বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বাড়ছে রোগীর ভিড়। তবে শুধু হাসপাতাল নয়, ওষুধের দোকানগুলিতেও বেড়েছে বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিকের বিক্রি। অল্প জ্বর-সর্দিতেই চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে নিজের মতো অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাচ্ছেন রোগীরা। আর এভাবেই মুড়ি-মুড়কির মতো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ায় বিপদ বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা।

Advertisement

সপ্তাহ খানেক ধরে ঘটেছে আবহাওয়ার পরিবর্তন। রাত নামলেই বাড়ছে হিমেল হাওয়া। তবে দিনের বেলা অবশ্য পারদ অনেকটাই চড়ছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রার এই পরিবর্তনে অনেকেই জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্টের অসুখে ভুগছেন। এই অবস্থায় একটি বড় অংশের রোগীরা হাসপাতালমুখী না হয়ে ভিড় করছেন বাজার-ঘাটের ফার্মেসিগুলিতে। সেখান থেকে মুখোমুখি  অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাচ্ছেন তাঁরা। এতে তাৎক্ষণিকভাবে জ্বর, সর্দি কিছুটা কমলেও ভবিষ্যতে তা শরীরে আরও মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের দাবি, নানা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রোধে অ্যান্টিবায়োটিক শক্তিশালী ঠিকই, তবে ভুলভাবে বা অতিমাত্রায় এর ব্যবহার মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। এতে শরীরে ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’ তৈরি হয়ে যায়, ফলে ভবিষ্যতে অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজই করে না শরীরে। ভুল মাত্রায় সেবন করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে বলে জানান তাঁরা।
রানিনগর ১ ব্লকের বিএমওএইচ  হাসানুল হাসিন বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন উচিত নয়। এতে শরীরে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাছাড়া একবার অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়ে গেলে পরবর্তীতে অ্যান্টিবায়োটিক সেভাবে কাজ করতে চায় না শরীরে। 
এদিকে সব চেয়ে উদ্বেগের, ডোমকল মহকুমার অধিকাংশ ওষুধের দোকানেই স্থায়ী কোনও ফার্মাসিস্ট নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দোকানের মালিকরাই প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি করছেন। শিডিউল–এইচ মানের অ্যান্টিবায়োটিকও অনায়াসে হাতে তুলে দিচ্ছেন গ্রাহকদের। আর চিকিৎসকের নিয়ম নীতি না মেনেই ওই সব ওষুধ খেতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন অনেকেই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ